দীর্ঘ ৯ বছর পর ইজরায়েল সফরে গিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। আর এই প্রথম সে দেশের সংসদে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা দিলেন কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী। বিদেশের মাটিতে পা রেখে ইতিহাস গড়ে গাজায় শান্তি ফেরানোর পক্ষে মন্তব্য করলে...
দীর্ঘ ৯ বছর পর ইজরায়েল সফরে গিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। আর এই প্রথম সে দেশের সংসদে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা দিলেন কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী। বিদেশের মাটিতে পা রেখে ইতিহাস গড়ে গাজায় শান্তি ফেরানোর পক্ষে মন্তব্য করলেন মোদী। পাশাপাশি ঘুরপথে পাকিস্তানকে বিঁধে তাঁর ঘোষণা, জঙ্গি কার্যকলাপের জন্য কোনও অজুহাত দেওয়া যায় না। একইসঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা মাধ্যমেই গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠান সম্ভব বলে দাবি করেছেন তিনি।
তৃতীয়বার ভারতের প্রধানমন্ত্রী পদের দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি মোদীর প্রথম ইজরায়েল সফর। অনেকের মতে, পশ্চিম এশিয়ার বাকি দেশগুলির সঙ্গে নয়াদিল্লির সমীকরণ ভবিষ্যতে কোন দিকে এগোবে, তা এই সফর থেকেই নির্ধারিত হবে। এদিন ইজরায়েলের সংসদ কেনেসেটে বক্তব্যের শুরুতেই মোদী বলেন, ভারত এবং ইজরায়েলের সম্পর্ক রক্ত দিয়ে লেখা। এরপরেই ২০২৩-এর হামাস হামলার সঙ্গে ২৬/১১ মুম্বই হামলাকে এক সুতোয় বেঁধে তাঁর মন্তব্য, 'জঙ্গি হামলায় রক্তাক্ত হওয়ার অনুভূতি খুব ভালো করেই জানে ভারত'।
সেই সূত্র টেনেই নাম না করে পাকিস্তানকে তুলোধোনা করেন মোদী। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কোন যুক্তি চলে না বলেও স্পষ্ট জানান তিনি। পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদকে রুখতে গোটা বিশ্বকে একজোট হয়ে লড়াই করতে হবে বলেও মনে করেন মোদী। গোটা বক্তব্যে পাকিস্তানের নাম না নিলেও তিনি যে সে দেশকেই নিশানা করেছেন, তা একপ্রকার স্পষ্ট।
তবে হামাস হামলার নিন্দা জানালেও গাজায় শান্তি ফেরানোর পক্ষেই সায় দিয়েছেন মোদী। কেনেসেটে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, 'শান্তি আনার পথ সহজ নয়। কিন্তু এই অঞ্চলে শান্তি ফেরানোর জন্য ভারত আগ্রহী। গোটা বিশ্বের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই দীর্ঘমেয়াদি শান্তি স্থাপন করা সম্ভব।' প্রসঙ্গত, এদিন সংসদে মোদীর ভাষণ শেষে তাঁকে ইজরায়েলের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত করা হয়। 'স্পিকার অফ দ্য কেনেসেট মেডেল' দেওয়া হয় মোদীকে।