ফের সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আইপ্যাক মামলার শুনানি। আজ, মঙ্গলবার বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহেতার বেঞ্চে শুনানি শুরু হয়। জানা যায়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী ...
ফের সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আইপ্যাক মামলার শুনানি। আজ, মঙ্গলবার বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহেতার বেঞ্চে শুনানি শুরু হয়। জানা যায়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী কপিল সিব্বল অসুস্থ। আদালতের কাছে আরও কিছুটা সময় চাওয়া হয়। সেই আবেদনে সাড়া দেন বিচারপতিদের ডিভিশন বেঞ্চ। ইডির দায়ের করা এই মামলার শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় আদালত। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী শুনানি হবে বলে আদালত সূত্রে খবর।
উল্লেখ্য, গত ৩ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার রাজ্যের তরফে আদালতে হলফনামা জমা দেওয়া হয়। ওইদিন শুনানির শুরুতেই ইডির তরফে কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আবেদন করে জানান, রাজ্যের দেওয়া হলফনামা খতিয়ে দেখার সময় দেওয়া হোক। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফেও হলফনামা জমা দেওয়া হবে বলে জানান হয়। এরপরেই শুনানির দিন পিছিয়ে দেওয়ার জন্য আবেদন জানান হয়। ইডির আবেদনের পালটা রাজ্যের মত জানতে চায় বিচারপতিদের বেঞ্চ। পরে রাজ্য ও ইডির আবেদনে সম্মতি জানানোর পরে মামলা পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন মঞ্জুর হয় আদালতে।
প্রসঙ্গত, গত ৮ জানুয়ারি কয়লা পাচার সংক্রান্ত একটি মামলার তল্লাশিতে আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈন ও তাঁর অফিসে হানা দিয়েছিল ইডি। সেই খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনীর তল্লাশি চলাকালীনই সেখানে হাজির হয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি সংগ্রহ করেছিলেন তিনি। প্রতীকের বাড়িতে ঢুকে নথিপত্র, ফাইল এবং ল্যাপটপ নিয়ে বেরিয়ে এসেছিলেন বলেও অভিযোগ। একই ঘটনা ঘটতে দেখা গিয়েছিল আইপ্যাক সংস্থার অফিসেও। তারপরেই তদন্তে বাধা পাওয়ার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল ইডি। কিন্তু ৯ জানুয়ারি ওই আবেদনের শুনানি আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত মুলতুবি করে দিয়েছিলেন বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। তার পরেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় ইডি।