শান্তিচুক্তিকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে হরমুজে হামলা জারি রেখেছে ইরান। সেই হামলার জবাব দিতে আমেরিকার তরফেও লাগাতার হামলা শুরু হয়েছে বলে দাবি একাধিক সংবাদ মাধ্যমের। বুধবার ভোর থেকে তেহরানের দক্ষিণাঞ্চলে একাধ...
শান্তিচুক্তিকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে হরমুজে হামলা জারি রেখেছে ইরান। সেই হামলার জবাব দিতে আমেরিকার তরফেও লাগাতার হামলা শুরু হয়েছে বলে দাবি একাধিক সংবাদ মাধ্যমের। বুধবার ভোর থেকে তেহরানের দক্ষিণাঞ্চলে একাধিক বিস্ফোরণ হয়েছে বলে খবর। এমতাবস্থায় চুক্তি ভেঙে হরমুজে হামলা চালানোয় আমেরিকার তরফে তেল বিক্রির যে ছাড়পত্র ইরানকে দেওয়া হয়েছিল তা বাতিল করা হয়েছে।
হরমুজে ইরানের লাগাতার জাহাজ হামলার নিন্দা করে সরব হয়েছে আমেরিকা। বুধবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড এই বিষয় উল্লেখ করে জানিয়েছেন, বাণিজ্যিক জাহাজের উপর হামলার পর ইরানকে শিক্ষা দিতে ধারাবাহিক হামলা শুরু হয়েছে। তাদের দাবি, তিনটি জাহাজের উপর সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে হামলা হয়েছে। ইরানের এই আগ্রাসন অযৌক্তিক, বিপজ্জনক এবং শান্তু চুক্তি লঙ্ঘনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এই পরিস্থিতিতে বুধবার ভোর থেকে কেশম, বন্দর আব্বাসের মতো একাধিক এলাকায় হামলা শুরু করেছে আমেরিকা। অন্যদিকে এই হামলায় তেহরানের বিরুদ্ধে পালটা চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করেছে তেহরান। পাশাপাশি জাহাজে হামলার জেরে ইরানকে তেল বিক্রির যে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল সেটাও বাতিল করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
দীর্ঘ চার মাস যুদ্ধের পর গত মাসে শান্তি চুক্তির পক্ষে মউ স্বাক্ষর করেছে আমেরিকা ও ইরান। সেখানে রানের উপর থেকে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় আমেরিকা। চুক্তিতে বলা হয়েছিল ২১ অগাস্ট পর্যন্ত অপরিশোধিত তেল ও সংশ্লিষ্ট জ্বালানি পণ্য উৎপাদন, বিক্রি এবং সরবরাহ করতে পারবে তারা। এমতাবস্থায় হরমুজে হামলা চালানোর ফলে ফের সেই ছাড়পত্র প্রত্যাহার করল আমেরিকা। ফলে বিশ্ববাজারে ফের অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়তে পারে বলে অনুমাণ।
বলে রাখা ভালো, গত ৪৮ ঘন্টায় পর পর তিনটি জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইরান। যার জেরে বেশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বাণিজ্যিক রণতরী গুলো। তবে হতাহতের কোনও খবর এখনও মেলেনি। এই পরিস্থিতি হরমুজে নতুন করে তেহরানের আগ্রাসন বৃদ্ধি পাওয়ায় কার্যত রাগে ফুঁসছে আমেরিকা।