সংবিধান বদলে যাচ্ছে পাকিস্তানের? যেখানে ওই দেশের সেনাপ্রধানের হাতেই দেশের শাসনভার চলে যাওয়ার সম্ভাবনা! এমনই দাবি কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশের। বর্তমানে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির। সূত্রের খব...
সংবিধান বদলে যাচ্ছে পাকিস্তানের? যেখানে ওই দেশের সেনাপ্রধানের হাতেই দেশের শাসনভার চলে যাওয়ার সম্ভাবনা! এমনই দাবি কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশের। বর্তমানে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির। সূত্রের খবর, এবার তাঁর ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করতে একেবারে তৎপর হয়ে উঠেছে শাহবাজ শরিফের সরকার অর্থাৎ পাক সরকার। খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে সেদেশে ২৭ তম সংবিধান সংশোধনী বিল আনতে চলেছে পাক সরকার। যেখানে পাকিস্তানি সেনার ক্ষমতা বৃদ্ধির কথা যেমন বলা হয়েছে ঠিক তেমনই পাক সেনাপ্রধানের আরও ক্ষমতা বৃদ্ধিরও কথা বলা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, সম্প্রতি পাকিস্তানের প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী বিলওয়াল ভুট্টো সমাজমাধ্যমে দাবি করেছেন, 'এই সংক্রান্ত বিল সমর্থনের জন্য তাঁর কাছে আর্জি জানানো হয়েছে। যার নেপথ্যে রয়েছে শাহবাজ শরিফের সরকার। গোটা ঘটনায় আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, 'সত্যিই যদি এই সংক্রান্ত বিল পাক সংসদে পাশ হয় তাহলে সেক্ষেত্রে গোটা পাকিস্তান ধীরে ধীরে যে সেনার শাসনে চলে যাবে তা নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই।' বলাবাহুল্য, ভারতের 'অপারেশন সিঁদুর' অভিযানের পর পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে সেদেশে।

প্রসঙ্গত, এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, পাকিস্তান-আফগানিস্তানের মধ্যে আপাততভাবে বাণিজ্যিক লেনদেন বন্ধ হয়ে গিয়েছে। নেপথ্যে আফগান সীমান্তে আমদানি-রফতানি বন্ধ করেছে পাকিস্তান। যার ফলে পাক অর্থনীতিতে যে বড়সড় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, সেই নিয়ে দ্বিমত রাখছে না কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম চড়চড় করে বাড়ছে। আফগানিস্তানের সঙ্গে পাকিস্তানের জোগান বন্ধ হওয়ায় একলাফে অনেকটাই দাম বেড়েছে ফল ও সবজির! ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনা বিশ্ব রাজনৈতিক মহলে আলোচনা-সমালোচনার বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে।