সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান-আফগানিস্তান সংঘাত বড়সড় আকার ধারণ করেছে। তারই মাঝে বিগত কিছুদিন আগেই ভারত সফরে এসেছিলেন আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের বিদেশমন্ত্রী। যা নিয়ে ভারত ও আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে বারবা...
সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান-আফগানিস্তান সংঘাত বড়সড় আকার ধারণ করেছে। তারই মাঝে বিগত কিছুদিন আগেই ভারত সফরে এসেছিলেন আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের বিদেশমন্ত্রী। যা নিয়ে ভারত ও আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে বারবার সুর চড়িয়েছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদের অভিযোগ, 'আফগানিস্তান বর্তমানে ভারতের নির্দেশেই কাজ করছে।' এরই মাঝে তালিবানের প্রসঙ্গ তুলে নাম না করে প্রাক্তন আইএসআই প্রধান ফইজ হামিদ ও ইমরানের আমলে পাক সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন বর্তমান পাক বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার!
জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের একটি সংবাদমাধ্যমে আগেই দাবি করা হয়েছে, 'কাবুল তথা আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ বলেছেন, 'তালিবানকে যেকোনও সময় আমরা সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করতে পারি। তার জন্য আমাদের যে বিরাট শক্তি প্রয়োগ করতে হবে এমনটা একেবারে নয়। ইসলামাবাদের হাতে যথেষ্ট ক্ষমতা ও শক্তি আছে। আফগানিস্তানের তালিবান রাজকে যে কোনও সময় অন্ধকারের গুহায় পাঠিয়ে দেব।' এবার কি তবে আরও বড়সড় যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে পাকিস্তান-আফগানিস্তান? কূটনৈতিক মহলে উঠছে প্রশ্ন!
পাশাপাশি এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, পাকিস্তান-আফগানিস্তানের মধ্যে আপাততভাবে বাণিজ্যিক লেনদেন বন্ধ হয়ে গিয়েছে। নেপথ্যে আফগান সীমান্তে আমদানি-রফতানি বন্ধ করেছে পাকিস্তান। যার ফলে পাক অর্থনীতিতে যে বড়সড় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, সেই নিয়ে দ্বিমত রাখছে না কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম চড়চড় করে বাড়ছে। আফগানিস্তানের সঙ্গে পাকিস্তানের জোগান বন্ধ হওয়ায় একলাফে অনেকটাই দাম বেড়েছে ফল ও সবজির! ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনা বিশ্ব রাজনৈতিক মহলে আলোচনা-সমালোচনার বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে।