অপারেশন সিঁদুরের' মধ্যে দিয়ে পাকিস্তানকে মোক্ষম জবাব দিয়েছে ভারত। সেসময় ভারতের শক্তিশালী এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের কাছে মুখ থুবড়ে পড়ে পাকিস্তান। এই সিঁদুর অভিযানের সময় ভারতের শক্তি ফ্রান্সের রাফালে যুদ্ধ...
অপারেশন সিঁদুরের' মধ্যে দিয়ে পাকিস্তানকে মোক্ষম জবাব দিয়েছে ভারত। সেসময় ভারতের শক্তিশালী এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের কাছে মুখ থুবড়ে পড়ে পাকিস্তান। এই সিঁদুর অভিযানের সময় ভারতের শক্তি ফ্রান্সের রাফালে যুদ্ধবিমান নিয়ে সেসময় একাধিক প্রশ্ন তুলেছিল পাকিস্তান। জানা গিয়েছে, এই আবহে ফ্রান্সের সঙ্গে সেই একই ১০০ রাফালে যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি সারল ইউক্রেন! কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশের মতে, 'রাশিয়ার সেনার হামলার হাত থেকে বাঁচতে, অর্থাৎ রুশ সেনাকে রুখতেই এমন সিদ্ধান্ত ফ্রান্সের।'
সূত্রের খবর, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রোর সঙ্গে ১০০ রাফালে যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভালোদিমির জেলেনস্কি। প্যারিসের কাছে একটি বিমান ঘাঁটিতেই এমন চুক্তি হয়েছে দুই রাষ্ট্র প্রধানের। সেই চুক্তি অনুযায়ী ঠিক হয়েছে যে, 'আগামী ২০৩৫ সালের মধ্যে ইউক্রেনেকে ১০০ টি রাফালে যুদ্ধবিমান দেবে ফ্ৰান্স।' তাহলে ফ্রান্সের সঙ্গে চুক্তি করে নিজেদের শক্তি কি বাড়ালো ইউক্রেন? উঠছে প্রশ্ন।
প্রসঙ্গত, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ আদতে কবে থামবে? এমন প্রশ্ন উঠেলেও গোটা বিষয়টি এখনও ধোঁয়াশার মধ্যেই। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একাধিকবার বৈঠক। তবে আদতে লাভের লাভ কিছুই হয়নি। দুই দেশই হামলার ঝাঁজ বাড়িয়ে চলেছে। জানা গিয়েছে, কিছুদিন আগেই ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে হামলা চালিয়েছে রুশ সেনা। রাতভর ড্রোন-মিসাইল হামলা চালিয়েছে পুতিনের দেশ। গোটা ঘটনায় আহত-নিহতের সংখ্যাও বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলে প্রশ্ন উঠছে, 'আদৌ কি থামবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ? যদিও থামে সেই ক্ষেত্রে কি সত্যিই হামলার সম্ভাবনা কমে যাবে? কারণ বারবার শান্তি আলোচনা-বৈঠক নিস্ফলা হয়েছে! এরই মঝে ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্ক চাপানোর সিদ্ধান্ত। যা নিয়ে রীতিমত শোরগোল বিশ্ব রাজনৈতিক মহলে।