আগামী দু-সপ্তাহের জন্য ইরানে সংঘর্ষবিরতি ঘোষণা করেছে আমেরিকা। কিন্তু তারপরেও অস্থিরতা কাটছে না পশ্চিম এশিয়ায়। এবার লেবাননে একের পর এক মিসাইল হামলা শুরু করেছে ইজরায়েল। ফলে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে আমেরিকা ও ...
আগামী দু-সপ্তাহের জন্য ইরানে সংঘর্ষবিরতি ঘোষণা করেছে আমেরিকা। কিন্তু তারপরেও অস্থিরতা কাটছে না পশ্চিম এশিয়ায়। এবার লেবাননে একের পর এক মিসাইল হামলা শুরু করেছে ইজরায়েল। ফলে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা আদৌ শেষ পর্যন্ত টিকে থাকবে কিনা, তা নিয়ে বাড়ছে সংশয়।
সূত্রের খবর, গত ঘণ্টায় ইজরায়েল হামলায় লেবাননে ২৫০-এর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। জখমের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে সবথেকে খারাপ অবস্থা লেবাননের রাজধানী বেইরুটে। এই পরিস্থিতিতে ফের হরমুজ প্রণালী স্তব্ধ করে দিয়েছে ইরান। যা আমেরিকার ক্রোধের কারণ হতে পারে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ। ফলে পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি আদৌ ফিরবে কিনা তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
তবে আচমকা কেন লেবাননের উপর মারণ হামলা শুরু করল ইজরায়েল? তার অন্যতম এবং প্রধান কারণ এই দেশটিতে দীর্ঘ দিন ধরে সক্রিয় ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লা। বিশেষ করে লেবাননের দক্ষিণ প্রান্তে। ইরান-ইজরায়েল সরাসরি যুদ্ধে জড়ানোর আগে থেকেই এই সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ জারি রেখেছে ইজরায়েল সেনা।
এমতাবস্থায়, ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির দাবি, যুদ্ধবিরতির শর্তগুলির মধ্যে লেবানন সংঘর্ষে ইতি টানার কথাও বলা হয়েছিল। তবে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের দাবি, লেবানন এই চুক্তির অংশ ছিল না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু উভয়েরই দাবি, যুদ্ধবিরতির এই প্রস্তাব লেবাননের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ফলে গোল যে ঘটতে চলেছে তা একপ্রকার নিশ্চিত।
অন্যদিকে আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে সংঘর্ষ থামাতে লাগাতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও দাবি করেছিলেন যুদ্ধবিরতির মূল বিষয়গুলির মধ্যে লেবাননের প্রসঙ্গও ছিল। সমাজমাধ্যম পোস্টে তিনি লিখেছিলেন লেবানন-সহ সর্বত্র অবিলম্বে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে আমেরিকা এবং ইরান।