ইরানের সঙ্গে সংঘাত মিটিয়ে নিতে চায় আমেরিকা। তার জন্য প্রয়োজনে সে দেশের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠক করতেও রাজি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি এমনটাই...
ইরানের সঙ্গে সংঘাত মিটিয়ে নিতে চায় আমেরিকা। তার জন্য প্রয়োজনে সে দেশের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠক করতেও রাজি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি এমনটাই জানিয়েছেন আমেরিকার বিদেশ সচিব মার্কো রুবিয়ো। তিনি আরও বলেছেন, ইরান চাইলেই সেই বৈঠকে যোগ দেবেন ট্রাম্প। তবে সংঘাতে ইতি টানতে চাইলেও পরমাণু সংক্রান্ত বিষয়ে এখনও নিজেদের সিদ্ধান্তেই অনড় মার্কিন প্রশাসন। এদিন তাও স্পষ্ট করেছে রুবিয়ো।
মার্কিন বিদেশ সচিবের কথায়, ইরানের হাতে পরমাণু শক্তির ভান্ডার এলে তা সমগ্র বিশ্বের নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করতে পারে। তাই ইরানকে কখনই পরমাণু শক্তিধর হওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট দাবি করেছে আমেরিকা। তবে এই সমস্যার সমাধান কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যে দিয়েই করতে চায় মার্কিন প্রশাসন। পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ায় সেনা মোতায়েন করা নিয়েও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে আমেরিকা। রুবিয়ো জানিয়েছেন, অতীতে আমেরিকার স্বার্থের উপর একাধিক বার আঘাত করেছে ইরান। তাই এবার সেই বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়েও আগাম সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ইরানের বিরুদ্ধে রণনীতি নিতে শুরু করেছে আমেরিকা। সেই লক্ষ্যে শুরু হয়েছে সেনা মোতায়েন। ইতিমধ্যেই পারস্য উপসাগরে উপসাগরে পৌঁছে গিয়েছে মার্কিন রণতরী 'আব্রাহাম লিঙ্কন'। অন্যদিকে দ্বিতীয় রণতরী জেরাল্ড আর ফোর্ডকে ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ থেকে পশ্চিম এশিয়ায় পাঠানো হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন ট্রাম্প।