দ্বিতীয় দফার বৈঠকের আগেই ফের হরমুজে 'তালা' লাগিয়েছে ইরান। এই অবস্থায় নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও হরমুজ পেরতে গিয়ে ভয়াবহ হামলার মুখে পড়ল দুটি পণ্যবাহী জাহাজ। তবে কে বা কারা জাহাজ দু'টোকে লক্ষ্য করে গুলি চ...
দ্বিতীয় দফার বৈঠকের আগেই ফের হরমুজে 'তালা' লাগিয়েছে ইরান। এই অবস্থায় নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও হরমুজ পেরতে গিয়ে ভয়াবহ হামলার মুখে পড়ল দুটি পণ্যবাহী জাহাজ। তবে কে বা কারা জাহাজ দু'টোকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে তা এখনও স্পষ্ট না। আকস্মকি হামলায় কোন প্রাণহানি হয়েছে কিনা, তাও জানা যায়নি এখনও।
বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ইজরায়েল-লেবাননের যুদ্ধবিরতির কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তারপরেই হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া নিয়ে সমাজমাধ্যমে জানিয়েছিলেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তিনি ওই পোস্টে জানিয়েছিলেন, ইজরায়েল ও লেবাননের সংঘর্ষবিরতি যত দিন চলবে, তত দিন হরমুজ প্রণালীও খোলা থাকবে। এরপরেই ট্রাম্প পাল্টা পোস্ট করে লেখেন, 'রান হরমুজ প্রণালী স্থায়ীভাবে খুলে দিতে প্রস্তুত। ওরা আর এটা বন্ধ করবে না, এবং এই প্রণালীকে বিশ্বের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করবে না।' পাশাপাশি ইরান হরমুজ খুলে দিলেও আমেরিকা অবরোধ জারি রাখবে বলে ওই পোস্টে দাবি করেন তিনি। পরে যার পাল্টা বিবৃতি দিয়ে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড জানায়, ওয়াশিংটন তাদের প্রতিশ্রুতি পালনে ব্যর্থ হয়েছে। ইরান হরমুজ খুলে দেওয়া সত্ত্বেও আমেরিকা ওই জলপথে অবরোধ অব্যাহত রেখেছে। ফলে যতক্ষণ না আমেরিকা নিজের জায়গা থেকে সরছে ততক্ষন পর্যন্ত ফের হরমুজ বন্ধ রাখা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এরপরেই জাহাজ হামলার ঘটনাটি সামনে আসে। শনিবার দুটি পণ্যবাহী জাহাজের তরফে জানানো হয়েছে, তারা হরমুজ পার করার চেষ্টা করছিল। সেই সময় তাদের উপর হামলা করা হয়। তবে এই হামলার দায় এখনও পর্যন্ত কেউ না নিলেও মনে করা হচ্ছে ইরানের তরফেই এই আকস্মিক হামলা করা হয়েছে। যদিও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখনও বিশদে কিছুই জানা যায়নি।