বাংলায় বিধানসভা ভোটের প্রচারে এসে নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ তৃণমূলকে তোপ দেগে অভিযোগ করেছেন, রাজ্য সরকার টুকরে-টুকরে গ্যাং-কে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়। এমতাবস্থায়, সংসদে মহিলা সংরক্ষণ বিল পাশ করাতে গিয়ে ব...
বাংলায় বিধানসভা ভোটের প্রচারে এসে নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ তৃণমূলকে তোপ দেগে অভিযোগ করেছেন, রাজ্য সরকার টুকরে-টুকরে গ্যাং-কে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়। এমতাবস্থায়, সংসদে মহিলা সংরক্ষণ বিল পাশ করাতে গিয়ে বিজেপি সরকার যখন মুখ থুবড়ে পড়েছে, তখন বিজেপির কথা বিজেপিকেই ফেরত দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, "ওরাই টুকরো-টুকরো গ্যাং। মহিলা বিলের আড়ালে ডিলিমিটেশন করতে চেয়েছিল বিজেপি। যাতে বাংলাটাকে টুকরো করতে পারে, উত্তরপ্রদেশটাকে টুকরো করতে পারে, দেশটাকে টুকরো করতে পারে। সব টুকরো-টুকরো গ্যাং"। এবং সেই সঙ্গে তাঁর কটাক্ষ, "প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ মানেই জুমলা"।
জোর টক্কর
শুক্রবার বিরোধী-ঐক্যের সামনে মুখ থুবড়ে পড়েছে নরেন্দ্র মোদী সরকারের আনা মহিলা সংরক্ষণ বিল। এমনকি, ওই বিলের নেপথ্যে দেশজুডে আসন পুনর্বিন্যাস বা ডিলিমিটেশনই যে আসল উদ্দেশ্য ছিল বিজেপি সরকারের, বিরোধীরা সেই ভাষ্যকে অনেকটাই বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে পেরেছে গত ৩ দিনে। এমতাবস্থায়, এদিন রাত সাড়ে ৮ টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পর্যবেক্ষকরা অনুমান করছেন, মহিলা বিল নিয়ে বিরোধীদের তোপ দাগতেই আচমকা এই ভাষণের ঘোষণা নরেন্দ্র মোদীর। এমতাবস্থায়, শনিবার দিনভর, উলুবেড়িয়া থেকে শুরু করে বারুইপুর, ভাঙড়, সর্বত্র বিজেপিকে আক্রমণ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবং, রাত সাড়ে ৮ টায় নরেন্দ্র মোদী যে ভাষণ দেবেন জাতির উদ্দেশে, তাকে 'জুমলা' বলে কটাক্ষ করলেন। বললেন, "বিজেপিকে পরাস্ত করেছি, বাংলাকে টার্গেট করলে পাল্টা দিল্লিকে টার্গেট করব আমরা। কালকে মহিলা বিল পাশ করাতে পারেনি। উদ্দেশ্য ছিল বঙ্গভঙ্গ। ওটাকে আমরা উল্টে দিয়েছি। মোদীবাবুর পতন শুরু হয়ে গিয়েছে। আজকে শুনছি উনি দেশের উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। ওঁর ভাষণ শুনে মানুষের রেশন মিলবে না। ওঁর ভাষণ মানে মিথ্যা কথা, জুমলা। মহিলা (সংরক্ষণ) নিয়ে আমাকে শেখাবেন না। বাংলা মানুষকে পথ দেখায়। আমি '৯৮ সাল থেকে লড়াই করছি। পঞ্চায়েতে আমরা ৫০ শতাংশ সংরক্ষণ করেছি (মহিলাদের)। ৫০ শতাংশ করেছি পৌরসভাতেও। আর আমাদের লোকসভায়, আমাদের নির্বাচিত সদস্যদের ৩৭ শতাংশ (মহিলা)। আর রাজ্যসভায়, যেখানে দল মনোনয়ন করে, ৪৬ শতাংশ মহিলা"।