বিপুল ভোটে জিতে প্রায় দুই দশক পর ফের বাংলাদেশ শাসন করতে চলেছে বিএনপি শিবির। এই অবস্থায় বেগম খালেদার দলের জয়ের নেপথ্যে মমতা সরকারের 'ভাতা' প্রকল্পের অনুকরণ জড়িত বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। দীর্ঘ ১৭ বছর...
বিপুল ভোটে জিতে প্রায় দুই দশক পর ফের বাংলাদেশ শাসন করতে চলেছে বিএনপি শিবির। এই অবস্থায় বেগম খালেদার দলের জয়ের নেপথ্যে মমতা সরকারের 'ভাতা' প্রকল্পের অনুকরণ জড়িত বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। দীর্ঘ ১৭ বছর স্ব-নির্বাসনের পর বাংলাদেশে ফিরে দেশবাসীর ভাগ্য বদলানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেই সূত্র ধরেই নির্বাচনী ইস্তেহারে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ধাঁচে 'ফ্যামিলি কার্ডে'র আশ্বাস দিয়েছিল ধানের শীষ শিবির। পাশাপাশি দেশের বেকারদেরও ভাতা দেওয়া হবে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। আর সেটাই এবার ভোট ময়দানে প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
বস্তুত, ২০২১ সাল থেকে শুরু হওয়া তৃণমূল সরকারের 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' প্রকল্প যে দেশের বাইরে যথেষ্ট জনপ্রিয়তা লাভ করেছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তার বড় প্রমাণ বোধহয় বাংলাদেশের নির্বাচনী ইস্তেহারে বিনপির 'ভাতা'র আশ্বাস। এছাড়াও দিল্লি, ঝাড়খণ্ড, মধ্যপ্রদেশের মত রাজ্যেগুলিও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পকে মডেল করে ভোট বৈতরণী পার করেছে। এমতাবস্থায় বিনপির নির্বাচনী ইস্তেহারে 'ফ্যামিলি কার্ডে'র আশ্বাস যথেষ্ট ইঙ্গিতপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
বিএনপির ইস্তেহারে 'ফ্যামিলি কার্ডে'র বিষয়ে ঠিক কী বলা হয়েছে? সেখানে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, বিএনপি ক্ষমতায় এলে প্রান্তিক ও দরিদ্র পরিবারের মহিলাদের নামে কার্ড ইস্যু করা হবে। সেই কার্ডের ভিত্তিতে পরিবার পিছু নগদ আড়াই হাজার টাকা অথবা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহের আশ্বাস দেওয়া হবে। পাশাপাশি ইস্তেহারে বলা হয়েছিল, ফ্যামিলি কার্ডের আর্থিক সহায়তার পরিমান সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ানো হবে। মূলত নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন করতে, শক্তিশালী করতেই এই সিদ্ধান্ত।