পরমাণু সংক্রান্ত জট কাটেনি। উল্টে বেড়েছে দুই দেশের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা। এই পরিস্থিতিতে ইরানের বিরুদ্ধে রণক্ষেত্রে নামতে চলেছে আমেরিকা! চলতি সপ্তাহেই তেহরানে প্রথম আঘাত নেমে আসতে পারে বলে খবর দুই মার...
পরমাণু সংক্রান্ত জট কাটেনি। উল্টে বেড়েছে দুই দেশের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা। এই পরিস্থিতিতে ইরানের বিরুদ্ধে রণক্ষেত্রে নামতে চলেছে আমেরিকা! চলতি সপ্তাহেই তেহরানে প্রথম আঘাত নেমে আসতে পারে বলে খবর দুই মার্কিন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে। যদিও এই বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি বলেও জানা গিয়েছে। তিনি সবুজ সংকেত দিলেই ইরানের সঙ্গে রণক্ষেত্রে জড়াতে পারে ওয়াশিংটন।
এক মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন সেনা হোয়াইট হাউসকে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে যে, তাঁরা চলতি সপ্তাহেই ইরানে হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুত। তবে তার জন্য প্রয়োজন মার্কিন প্রেসিডেন্টের অনুমতি। তাই আপাতত সেই অপেক্ষাতেই রয়েছে মার্কিন সেনারা। আমেরিকার এক উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিকের কথায়, 'চলতি সপ্তাহেই ট্রাম্প কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তিনি গোটা পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যালোচনা করছেন। প্রসঙ্গত, ট্রাম্প আগে থেকেই ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়ে রেখেছেন, যে যদি তারা চুক্তিতে সম্মত না হয়, তাহলে যুদ্ধই হবে সেক্ষেত্রে একমাত্র সমাধানের পথ। তবে ওয়াশিংটন যে আলোচনার মাধ্যমেই সমঝোতা চায়, তাও একাধিকবার জানান হয়েছে।
উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে দুটি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে আমেরিকা। ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড বিমানবাহী রণতরী ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ থেকে বেরিয়ে মধ্য আটলান্টিকে পৌঁছেছে এবং দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে গন্তব্যের দিকে। ইতিমধ্যেই এই রণতরীর সঙ্গে রয়েছে ৩টি গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার, ইউএসএস মাহান, ইউএসএস বেইনব্রিজ এবং ইউএসএস উইনস্টন চার্চিল। এছাড়া বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কন ও একাধিক যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে সেখানে।