শুল্ক নিয়ে একাধিক সিদ্ধান্ত। দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর তাঁর নতুন নতুন সিদ্ধান্তের জেরে বহু দেশের সঙ্গে শুল্কে যুদ্ধে জড়িয়েছে আমেরিকা। কথা হচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে। বিশ্বের একা...
শুল্ক নিয়ে একাধিক সিদ্ধান্ত। দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর তাঁর নতুন নতুন সিদ্ধান্তের জেরে বহু দেশের সঙ্গে শুল্কে যুদ্ধে জড়িয়েছে আমেরিকা। কথা হচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে। বিশ্বের একাধিক দেশে শুল্ক আরোপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। আগামী ১ অগাস্ট থেকে ট্রাম্প প্রশাসনের সেই শুল্কনীতি চালু হওয়ার সম্ভাবনা! এরই মধ্যে জাপান, ব্রিটেন, ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করেছে আমেরিকা। পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি সেরে ফেলেছেন ট্রাম্প। এই আবহে শুল্ক নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের নয়া ঘোষণা! যা কার্যত তুমুল হইচই ফেলে দিয়েছে বিশ্ব রাজনৈতিক মহলে।
সূত্রের খবর, সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, 'যে সকল দেশের সঙ্গে আদতে কোনওরকম বাণিজ্যচুক্তি হয়নি, যারা আমেরিকার সঙ্গে কোনওভাবেই বাণিজ্যচুক্তি করবে না বলেই ঠিক করে নিয়েছেন। সেই সমস্ত দেশ গুলির উপর আগামীতে প্রায় ১৫-২০ শতাংশ করে শুল্ক চাপানো হবে। খুব শীঘ্রই তা চালু করা হবে।'
ভারতের সঙ্গে আমেরিকার বাণিজ্যচুক্তি কি আদৌ হবে? বারবার এই প্রশ্ন উঠলেও, গোটা বিষয়টি এখনও ধোঁয়াশার মধ্যে। ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আগেই বড়সড় ঘোষণা করেছিলেন ট্রাম্প! সেসময় তিনি জানিয়েছিলেন, 'খুব শীঘ্রই ইন্দোনেশিয়ার মতই ভারতের বাজারও নাগাল পেয়ে যাব আমরা সেই সঙ্গে বড়সড় চুক্তিতেও সই করবে ওরা।' তবে এমন কথা বললেও এখনও অবধি কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ভারতের সঙ্গে আমেরিকার বাণিজ্যচুক্তির বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। এরই মধ্যে ফের শুল্কবাণ নিক্ষেপ আমেরিকার।
ভারত-চিনের উপর আগেই অতিরিক্ত শুল্ক চাপানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন সাংসদরা। নেপথ্যে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ! দীর্ঘ তিন বছর ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ইতি কবে ঘটবে? তার উত্তর এখনও অবধি স্পষ্ট নয়। বারবার আমেরিকা সংঘৰ্ষবিরতির দাবি জানালে আদতে লাভের লাভ কিছুই হচ্ছে না।
মার্কিন সাংসদদের একাংশ আগেই জানিয়েছিলেন, 'রাশিয়ার যুদ্ধের মেশিনে রীতিমত তেল জোগান দিচ্ছে ভারত, চিন ও ব্রাজিলের মতন দেশগুলি। যা কার্যত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ সেনাদের একপ্রকার শক্তি হিসাবে কাজ করছে। তাই ওই সমস্ত দেশগুলির বিরুদ্ধে আগে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। প্রায় ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হোক ভারত, চিন ও ব্রাজিলের মত দেশগুলির উপর। খুব শীঘ্র্রই এই সংকান্ত একটি বিল আনা হবে। যা খুবই তাড়াতাড়ি কার্যকর হবে বলেই আশা রাখা হচ্ছে।'