পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোন বার্তা যেন বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে সম্প্রচারিত না হয়। এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করল ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার। গতকাল, সোমবার জুলাই আন্দোলনের প্রায় দেড় বছর পর হাসিনাক...
পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোন বার্তা যেন বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে সম্প্রচারিত না হয়। এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করল ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার। গতকাল, সোমবার জুলাই আন্দোলনের প্রায় দেড় বছর পর হাসিনাকে ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল। তার ঠিক আগেই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর একটি অডিও ক্লিপ সংবাদমাধ্যমের হাতে আসে। কিন্তু হাসিনার গলার আওয়াজ ও তাঁর বার্তা যেন কোনোভাবেই বাংলাদেশের মানুষের কান পর্যন্ত না পৌঁছায় তাই সেদেশের জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি একটি প্রেস বিবৃতি দিয়ে তাঁর বক্তব্য প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে।
জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির ওই বিবৃতি অনুযায়ী, পলাতক হাসিনার যেকোনও বার্তা বাংলাদেশের মানুষের মনে প্ররোচনা সৃষ্টি করতে পারে। অপরাধমূলক কাজকর্ম বাড়তে পারে বলেও অনুমাণ। তাই দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় হাসিনার বক্তব্য সম্প্রচারের উপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই সেদেশের বেশ কয়েকটি কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের তরফে হাসিনার বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে। তাতে শৃঙ্খলা ব্যাহত হতে পারে বলে মনে করছে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি। একইসঙ্গে মিথ্যা পরিচয় দিয়ে কিংবা অবৈধ ভাবে ঘৃণা ছড়ালে দু'বছরের কারাবাস বা ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে তবে কী বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলোর উপর এবার থেকে তৃতীয় পক্ষের নজরদারি চলবে?
যদিও এই ঘটনা প্রথম নয়। এর আগেও একাধিকবার হাসিনার বক্তব্যের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে হয়েছিল। এমনকি কেউ যদি ভুলেও হাসিনার বার্তা প্রকাশ্যে আনে তাহলে সেক্ষেত্রে ওই ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।