বিদায়ী ভাষণে সেভেন সিস্টার্সকে নিয়ে আবারও মন্তব্য মহম্মদ ইউনূসের। ফলে বিদায়বেলাতেও বিতর্কের জন্ম দিলেন তিনি। এই প্রথম নয়, এর আগেও উত্তর-পূর্ব ভারত নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্ক উসকে দিয়েছিলেন ইউনূস। অন্তর্...
বিদায়ী ভাষণে সেভেন সিস্টার্সকে নিয়ে আবারও মন্তব্য মহম্মদ ইউনূসের। ফলে বিদায়বেলাতেও বিতর্কের জন্ম দিলেন তিনি। এই প্রথম নয়, এর আগেও উত্তর-পূর্ব ভারত নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্ক উসকে দিয়েছিলেন ইউনূস। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার পর কেটে গেছে দেড় বছর। তাঁর কাঁধে যে গুরুদায়িত্ব দিয়েছিল বাংলাদেশের জনগণ তা তিনি কতটা পূরণ করতে পেরেছেন তার উত্তর দেবে ভবিষ্যত। তবে এই দেড় বছরে সারা বিশ্ব দেখেছে রক্ষা পাইনি গণতন্ত্র, সুরক্ষিত ছল না সংখ্যালঘু, সুরক্ষিত ছিল না বাংলাদেশের বহু লালিত সংস্কৃতি। সঙ্গে চলেছে ভারত বিদ্বেষের প্রপোগান্ডা। ভারত নিয়ে ইউনূসের করা একের পর বিতর্কিত মন্তব্য় যে বিদ্বেষকে লালন পালন করেছে সযত্নে। গত বছর যখন চিন সফরে গিয়েছিলেন, তখনও নিজেদের সমুদ্রের অভিভাবক হিসাবে দাবি করেন, সেই সময়ও সেভেন সিস্টার্সের উল্লেখ ছিল তাঁর ভাষণে। আর এবার বিদায় নেওয়ার আগে বৈদেশিক বাণিজ্য নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন 'আমাদের খোলা সমুদ্র কেবল ভৌগোলিক সীমারেখা নয়, এটি বাংলাদেশের জন্য বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার খোলা দরজা। নেপাল, ভুটান এবং সেভেন সিস্টার্সকে নিয়ে এই অঞ্চলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।'
ভারতের উত্তর পূর্ব অংশকে নিজেদের দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেখাকে ভারত নিশ্চয় ভালো চোখে দেখবে না! বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পর দুই দেশের সম্পর্ককে আবারও যখন আগের জায়গায় ফেরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, সেই প্রেক্ষিতে ইউনূসের মন্তব্য়ে দুইদেশেই অস্বস্তি বাড়বে বলে মত আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের। আর এর সাঙ্গে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে ভারতের বিরুদ্ধে ইউনূসের এই বারবার বিদ্বেষ প্রকাশে কি কোনও ইন্ধন রেয়েছে ? অথবা বলা যায় কাদের ইশারায় বারবার এই ধরণের মন্তব্য করছেন ইউনূস? ফলে বারবার ভারতের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে ইউনূসের ভারত বিরোধী মন্তব্যে।