মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে তৃণমূলের ঋতব্রত শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন আগেই। এমতাবস্থায় আজ, বুধবার বিধানসভায় এসে সোজা 'বিদ্রোহী' শিবিরের বৈঠকেও যোগ দিলেন অনুব্রত মণ্ডল। তবে বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে অভিষেক বন...
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে তৃণমূলের ঋতব্রত শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন আগেই। এমতাবস্থায় আজ, বুধবার বিধানসভায় এসে সোজা 'বিদ্রোহী' শিবিরের বৈঠকেও যোগ দিলেন অনুব্রত মণ্ডল। তবে বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে অভিষেক বন্দোপাধ্যকে নিশানায় নিলেন তিনি। তাঁর জেলযাত্রার জন্য 'যুবরাজ'ই দায়ী বলে বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন অনুব্রত। সঙ্গে ভবিষ্যদ্বাণী করে বলেন, আগামী দিনে তৃণমূলে (কালীঘাট শিবিরে) আর কেউ থাকবে না।
রাজনীতি বিচিত্র। তার চেয়েও বেশি বৈচিত্র বর্তমানে তৃণমূল। ১৫ বছর সরকারে ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। বিগত এই বছর গুলোয় রাজনীতির বিভিন্ন অধ্যায় দেখেছে রাজ্যের মানুষ। পূর্বতন সরকারের আমলে থাকা বহু নেতা-মন্ত্রীর জেল যাত্রার সাক্ষীও থেকেছে তারা। উঠেছে বহু দুর্নীতির অভিযোগও। কিন্তু তা সত্ত্বেও জেল ফেরত কেষ্ট বা বালু'কে দূরে ঠেলে দেননি তৃণমূল নেত্রী। বরং তাঁদের সঙ্গে নিয়েই একমঞ্চে সভা করেছেন। কিন্তু নজরুল কবেই বলে গিয়েছেন, 'চিরদিন কাহারও সমান নাহি যায়।' আজ তেমনই অবস্থা কালীঘাট শিবিরের।
গরুপাচার মামলায় প্রায় বছর আড়াই জেলবন্দি ছিলেন অনুব্রত। ঠাঁই হয়েছিল তিহার জেলে। আর তার জন্য একমাত্র অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দায়ী বলে আজ সুর চড়িয়েছেন তিনি। ঋত-তৃণমূলের বৈঠকে প্রথমবার যোগ দেওয়ার আগে ভাইপো'র বিরুদ্ধে অভিযোগের তীর ছুড়ে বলেন, 'বীরভূম থেকে সাড়ে ৩ কোটি টাকা রেভিনিউ পেত সরকার। পরে কয়লার জন্য দিনে ৪০ লক্ষ টাকা দিতে হত।' সঙ্গে তিনি আরও বলেন, 'আগামী দিনে তৃণমূলে আর কেউ থাকবে না। শেষ হয়ে যাবে।'