মমতা, অভিষেকের পর এবার ফিরহাদ। প্রাক্তন পুর-মন্ত্রীর জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা প্রত্যাহার করল লালাবাজার। সূত্রের খবর, বুধবার কালীঘাটে একটি জরুরি বৈঠকে যোগ দিতে গিয়েছিলেন ফিরহাদ। সেখান থেকেই তাঁর দুটি ক...
মমতা, অভিষেকের পর এবার ফিরহাদ। প্রাক্তন পুর-মন্ত্রীর জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা প্রত্যাহার করল লালাবাজার। সূত্রের খবর, বুধবার কালীঘাটে একটি জরুরি বৈঠকে যোগ দিতে গিয়েছিলেন ফিরহাদ। সেখান থেকেই তাঁর দুটি কনভয় তুলে নেওয়া হয়। এমতাবস্থায় প্রশ্ন উঠছে, এরপর লালবাজারের স্ক্যানারে আর কোন মন্ত্রীর নাম উঠে আসবে তা নিয়ে।
তথ্য বলছে, ২০১৮ সালে ফিরহাদের 'ওয়াই' ক্যাটাগরির নিরাপত্তা বাড়িয়ে 'জেড' ক্যাটাগরিতে উন্নীত করা হয়েছিল। তবে সেই তালিকায় ফিরহাদ এক নয়, ছিলেন তৃণমূলের আরেক প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। বিশেষ কারণে দু'জনকে সেই সময় থেকে জেড ক্যাটাগরির ঘেরাটোপে রাখা হত। মূলত এই ক্যাটাগরির নিরাপত্তায় ২২ জন কর্মী নিয়োজিত থাকেন, যার মধ্যে ৪-৬ জন কমান্ডো-সহ পুলি কর্মী অন্তর্ভুক্ত থাকেন। তবে সময় বিশেষে এই সংখ্যা আরও বাড়ানো হয়। কিন্তু নজরুল তো বলেই গিয়েছেন, 'চিরদিন কাহারো সমান নাহি যায়'।
৪ তারিখ তৃণমূলের ধরাশায়ী ফলাফলের পর বহু পরিবর্তন নজরে এসেছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, নেতা-মন্ত্রীদের বাড়তি নিরাপত্তায় কাটছাঁট। গতকাল, মঙ্গলবারই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়ির সামনে থেকে নিরাপত্তা বলয় কমিয়ে দেওয়া হয়েছিল। খুলে ফেলা হয়েছিল গার্ডরেল। যার জেরে অবাধ হয়েছিল সাধারণ মানুষের যাতায়াত। একইভাবে আজ, বুধবার ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি ও কার্যালয় থেকেও তুলে নেওয়া হয় বাড়তি নিরাপত্তা। লালবাজারের নির্দেশে সরিয়ে দেওয়া হয় গার্ডরেল ও মেটাল ডিটকেটিভ মেশিন। এমতাবস্থায় এই ঘটনা ঘটতে দেখা গেল তৃণমূলের দাপুটে নেতা তথা প্রাক্তন পুর মন্ত্রী হিরহাদ হাকিমের সঙ্গেও।