ফের দিনের ব্যস্ত সময়ে মেট্রোয় আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা। কলকাতার মহাত্মা গান্ধী রোড স্টেশনে লাইনে ঝাঁপ দেন একজন। তড়িঘড়ি লাইনের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে শুরু হয় উদ্ধার কাজ। যার জেরে ময়দান থেকে শহীদ ক্ষুদিরা...
ফের দিনের ব্যস্ত সময়ে মেট্রোয় আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা। কলকাতার মহাত্মা গান্ধী রোড স্টেশনে লাইনে ঝাঁপ দেন একজন। তড়িঘড়ি লাইনের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে শুরু হয় উদ্ধার কাজ। যার জেরে ময়দান থেকে শহীদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত মেট্রো চলাচল ব্যাহত হয়েছে বলে খবর সূত্রের।ফলে যাতায়াতের পথে ভোগান্তির শিকার কয়েক-শো মানুষ। তবে দমদম থেকে দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত যাত্রী পরিষেবা সচল রয়েছে বলে খবর।
মহাত্মা গান্ধী রোড মেট্রো স্টেশন কলকাতার গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন গুলোর মধ্যে একটি। আর সপ্তাহের প্রথম দিন স্বাভাবিকভাবেই যাত্রী চাপ বেশি থাকে এই স্টেশনে। তবে এর মধ্যেই আচমকা চলন্ত মেট্রোর সামনে ঝাঁপ দেন একজন। পরে ঘটনা চালকের নজরে আসতেই মেট্রো থামানোর চেষ্টা করেন তিনি। শুরু হয় যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে উদ্ধার কাজ। যার জেরে থমকে যায় ময়দান থেকে শহীদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত মেট্রো চলাচল। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করার পর অনেকেই স্টেশন ছেড়ে বাস বা গাড়ি চেপে গন্তব্যে রওনা দেন।
তবে সাম্প্রতিক কিছু ঘটনায় মেট্রো স্টেশনের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। গত সপ্তাহেও এই একই ঘটনা ঘটে দেখা গিয়েছিল কলকাতা মেট্রোর দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে। পুলিস এবং পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকার পরেও কেন বারবার এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে, তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ। গলদ কোথায়? তা জানতে আদৌ কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কিনা, তাও এখনও স্পষ্ট না। অন্যদিকে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২২ সালে পাঁচ জন আত্মহত্যা করেছিলেন মেট্রোয়। ২০২৩ সালে চার জন। ২০২৪ সালে মেট্রোয় ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন ৭ জন। আর ২০২৫ সালের শেষ দুই এবং চলতি বছরের জানুয়ারি মিলিয়ে মোট আট জন ঝাঁপ দিয়েছেন।