শনিবার সকাল থেকে দফায় দফায় উত্তেজনা ফলতায়। জাহাঙ্গীর খান 'ঘনিষ্ঠ' ইসরাফিল চকদার'কে গ্রেফতারের দাবিতে উত্তপ্ত হাসিমনগর এলাকা। স্থানীয়দের অভিযোগ, গ্রামবাসীদের প্রাণে মারার হুমকি দিয়েছে এই ইসরাফিল। এমনকি...
শনিবার সকাল থেকে দফায় দফায় উত্তেজনা ফলতায়। জাহাঙ্গীর খান 'ঘনিষ্ঠ' ইসরাফিল চকদার'কে গ্রেফতারের দাবিতে উত্তপ্ত হাসিমনগর এলাকা। স্থানীয়দের অভিযোগ, গ্রামবাসীদের প্রাণে মারার হুমকি দিয়েছে এই ইসরাফিল। এমনকি বাড়িতে অঞ্জন ধরিয়ে দেওয়া হবে বলেও আতঙ্ক তৈরি করেছে সে! এই অবস্থায় অভিযুক্তের দ্রুত গ্রেফতারির দাবি জানিয়ে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখতে শুরু করেছেন এলাকার মানুষজন।
জানা যাচ্ছে, বঙ্গনগর অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি এই ইসরাফিল চকদার। পাশাপাশি ফলতা বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীরের সঙ্গেও তাঁর 'ঘনিষ্ঠতা' আছে বলে খবর সূত্রের। তাঁর বিরুদ্ধেই একগুচ্ছ অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে এলাকার সাধারণ মানুষ। অভিযোগ, হুমকি দিয়ে, ভয় দেখিয়ে গ্রামবাসীদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে ইসরাফিল। এমনকি ৪ তারিখের পর 'দেখে নেওয়ার' হবে বলেও স্থানীয়দের ভয় দেখিয়েছে সে।
এই অবস্থায় শুক্রবার পুলিসের কাছে ইজরাফিলকে গ্রেফতারের দাবি জানায় এলাকার সাধারণ মানুষ। কিন্তু ২৪ কেটে গেলেও অভিযুক্তকে ধরা হয়নি বলে পুলিসের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে এলাকার মহিলারা। এমনকি পুলিসের কাছে অভিযোগ জানানোর পরেও অভিযুক্তের বাড়বাড়ন্ত কমেনি বলে অভিযোগ। আর তারপরেই বিক্ষোভে ফেটে পড়ে স্থানীয়রা। শুরু হয় গ্রেফতারির স্লোগান। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জও করে পুলিস।
এ বিষয়ে ফলতা বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী বলেন, 'আমাকে ওই এলাকার আইসি এবং এসডিপিও কথা দিয়েছিল কালপ্রিটকে গ্রেফতার করবে। কিন্তু তা সত্ত্বেও পুলিস কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। উল্টে আজও অভিযুক্ত এলাকার মা-বোনকে হুমকি দিয়েছে। ধমকি দিয়েছে। পুলিস, কেন্দ্রীয় বাহিনী কেউ কথা রাখেনি।'