শনিবার কলকাতার চোরবাগান পুজোমণ্ডপে ভিড়ের মধ্যে পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন ২৫ জন। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর এতকুটু কালবিলম্ব না-করে তৎপর হয় রাজ্য সরকার। ঘটনাস্থলে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্...
শনিবার কলকাতার চোরবাগান পুজোমণ্ডপে ভিড়ের মধ্যে পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন ২৫ জন। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর এতকুটু কালবিলম্ব না-করে তৎপর হয় রাজ্য সরকার। ঘটনাস্থলে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসায় যাতে এতটুকু ত্রুটি না-হয়, তা সুনিশ্চিত করে স্বাস্থ্য দফতর। ইএম বাইপাসের বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করা হয় ২৫ জনকে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।
বৈঠক সেরে বেরিয়ে এসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, চিকিৎসাধীন ২৫ জনের অবস্থা স্থিতিশীল ও তাঁদের আর প্রাণ সংশয় নেই। চোরবাগান বিপর্যয়ে হোমগার্ডদের অপদার্থতাকে কাঠগড়ায় তোলেন এবং স্পষ্ট বুঝিয়ে দেন, তৃণমূল জমানায় তাঁদের নিয়োগ হয়েছিল।
হোমগার্ডরা এই বিপর্যয়ের জন্য কেন দায়ী, তা ব্যাখ্যা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন ভবানীভবনে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে কী কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ভিড় নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে ছিলেন অস্থায়ী হোমগার্ডরা। হঠাৎই বৃষ্টি নামে। শুনছি, ভিজে যাচ্ছিলেন বলে তাঁরা নাকি দড়ি ছেড়ে ভিতরে চলে গিয়েছিলেন। তাতেই বিশৃঙ্খলা।” এদিন শুভেন্দু খানিকটা হতাশা প্রকাশ করেই বললেন, “আবর্জনা বয়ে চলেছি। এবার পদক্ষেপ হবে।” ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, তৃণমূল আমলে এই হোমগার্ডদের নিয়োগ করা হয়েছিল। সেকথাই বোঝাতে চেয়েছেন তিনি।
চোরবাগান বিপর্যয় থেকে শিক্ষা নিয়ে রাজ্য সরকার একগুচ্ছ পদক্ষেপ করল। ভিড় সামলাতে পোড় খাওয়া ৭ জন আইপিএসকে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হল। পুজোর বাকি দিনগুলো আহত ও নিহতের পরিবারের সঙ্গেই কাটাবেন বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।