পুজোর আনন্দের মাঝেই মহানগরে বিপর্যয়। সপ্তমীর সন্ধ্যায় প্রবল ভিড়ের চাপে ভেঙে পড়ল চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গা পুজোর মণ্ডপের একাংশ। হুড়োহুড়িতে পদপিষ্ট হন জনা তিরিশেক মানুষ। তাদের মধ্যে বয়স্ক এবং মহিলারা...
পুজোর আনন্দের মাঝেই মহানগরে বিপর্যয়। সপ্তমীর সন্ধ্যায় প্রবল ভিড়ের চাপে ভেঙে পড়ল চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গা পুজোর মণ্ডপের একাংশ। হুড়োহুড়িতে পদপিষ্ট হন জনা তিরিশেক মানুষ। তাদের মধ্যে বয়স্ক এবং মহিলারাও রয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের অফিসাররা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। দুর্ঘটনায় জখম একাধিককে আনা হয় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। আহতদের অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। অসমর্থিত সূত্রে একাধিক মানুষের প্রাণহানির খবর সামনে আসছে।
যদিও সরকারিভাবে মৃতের সংখ্যা এখনও ঘোষণা করা হয়নি। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত মেডিক্যাল কলেজে চলে আসেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বারদ্বত মুখোপাধ্যায় সহ মন্ত্রী সভার অনেক সদস্য। চলে আসেন মুখ্য সচিব মনোজ আগরওয়ালও।
দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে পুজোমণ্ডপ। প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে থেকে জানা গিয়েছে, চোরবাগানের পুজো মণ্ডপে প্রবল ভিড় হয়েছিল আগে থেকেই। বাইরে বৃষ্টির বেগ বাড়তে থাকায় সকলে মণ্ডপের ভিতরে ঢুকে আসতে চান। তাতেই চাপ বাড়ে দুই গেটে। একটি গেটের হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে ভিড়ের চাপে। আর তাতেই ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হন অনেকে।
সপ্তমীর দুপুর থেকেই আবহাওয়া কিছুটা ভিলেন হয়ে উঠেছিল। কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় তুমুল বৃষ্টি হয়। সেই বৃষ্টি উপেক্ষা করেই ছাতা মাথায় প্যান্ডেল হপিং চলছিল উৎসবপ্রেমী মানুষজনের। বিকেলের দিকে খানিক বিরামের পর সন্ধ্যায় ফের বৃষ্টি শুরু হয়। কিন্তু উৎসবে গা ভাসানোর উন্মাদনায় ভাটা পড়েনি। বৃষ্টি মাথায় নিয়েই বিভিন্ন মণ্ডপে ভিড় করেন জনতা। এমন সময়েই বিপর্যয় নেমে এল চোরবাগান সর্বজনীনের মণ্ডপে। যদিও এই ঘটনার পরেই প্রশাসনের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মত।