রাজ্যের প্রত্যেক বিধায়ককে নিজের নিজের জেলায় সেবা কেন্দ্র চালু করার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বলেন, তবে সেবা কেন্দ্রগুলির নাম হবে 'নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সেবা কেন্দ্র'। এই কেন্দ্রগুলি...
রাজ্যের প্রত্যেক বিধায়ককে নিজের নিজের জেলায় সেবা কেন্দ্র চালু করার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বলেন, তবে সেবা কেন্দ্রগুলির নাম হবে 'নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সেবা কেন্দ্র'। এই কেন্দ্রগুলি চালাতে মাসিক ৩০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। সাধারণ মানুষের সহায়তায় এবং সামাজিক কল্যাণমূলক কাজ পরিচালনার লক্ষ্যে এই সেবাকেন্দ্রগুলি চালুর কথা বলা হয়েছে। এই কেন্দ্র পরিচালনার ক্ষেত্রে বেশ কিছু কঠোর নিয়ম ও নির্দিষ্ট শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানান, “শর্ত না মানলে টাকা মিলবে না। স্পিকারকে এই বিষয়টি দেখতে হবে।”
প্রথমত, যে সকল বিধায়করা নিজ উদ্যোগে এই সেবা কেন্দ্র চালু করবেন, সেই সেবাকেন্দ্রের প্রাতিষ্ঠানিক নাম হতে হবে ‘নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সেবা কেন্দ্র’।
দ্বিতীয়ত, প্রতিটি সেবাকেন্দ্রে নেতাজির ঐতিহ্যবাহী ধুতি ও পাঞ্জাবি পরিহিত এক বিশেষ ছবি সুনির্দিষ্ট স্থানে রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই দুটি শর্ত যথাযথভাবে পূরণ করতে পারলে সরকারি নিয়ম মেনে বিধায়কদের প্রতি মাসে এই ধরনের সেবা কেন্দ্র সফলভাবে চালানোর জন্য ৩০ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে।
বুধবার বিধানসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘‘আমাদের রাজ্যে আগে বিধায়কেরা সরকারি দফতর থেকে কাজ করতেন। এখন প্রায় প্রত্যেক বিধায়কের নিজস্ব দফতর আছে। কেউ দলের দফতরকে নিজের দফতর বানিয়েছেন। কেউ আবার নতুন দফতর করেছেন। প্রত্যেক বিধানসভা কেন্দ্রে বিধায়কদের একটি করে সেবাকেন্দ্র চালু করতে হবে। তার মাধ্যমে নিজেদের এলাকার মানুষকে তাঁরা পরিষেবা দেবেন। যাঁরা তাঁদের ভোট দিয়েছেন, যাঁরা দেননি, প্রত্যেকেই পরিষেবা পাবেন। এই সেবাকেন্দ্রগুলির নাম হবে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সেবাকেন্দ্র।’’ ইতিমধ্যে রাজ্যে এই ধরনের শতাধিক সেবাকেন্দ্র চালুও করা হয়েছে বলে জানান শুভেন্দু। রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর থেকে বিধায়কদের সেবাকেন্দ্রগুলিতে ধুতি-পঞ্জাবি পরিহিত নেতাজির একটি করে ছবি পাঠানো হবে। সেবাকেন্দ্রে সেই ছবি রাখতে হবে।