শুনানি পর্ব শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কড়া পদক্ষেপ কমিশনের। রাজ্যের আরও সাতজন আধিকারিককে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। ক্যানিং পূর্ব (দুই জন), সুতি, ময়নাগুড়ি, সামশেরগঞ্জ, ডেবরা ও ফরাক...
শুনানি পর্ব শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কড়া পদক্ষেপ কমিশনের। রাজ্যের আরও সাতজন আধিকারিককে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। ক্যানিং পূর্ব (দুই জন), সুতি, ময়নাগুড়ি, সামশেরগঞ্জ, ডেবরা ও ফরাক্কা বিধানসভার মোট সাত এইআরও-র বিরুদ্ধে পদক্ষেপের নির্দেশ দিল কমিশন। জানা গিয়েছে, গুরুতর অনিয়মের অভিযোগে একযোগে সাতজন এইআরও-র বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ এসেছে কমিশনের তরফে।
নবান্নে মুখ্য সচিবের কাছে পাঠানো চিঠিতে অবিলম্বে পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। প্রসঙ্গত, সাত জনের মধ্যে দুই জন এইআরও-র ক্ষেত্রে আগেও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও কোনও কার্যকর পদক্ষেপ করেনি নবান্ন। তাই সেই নির্দেশ ফের মনে করিয়েছে কমিশন। নতুন নির্দেশে নাম জুড়েছে আরও ৫ জনের। শুধু তাই নয়, এই সাত জনের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হল। তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে কমিশনকে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রাজ্যের যে সাতজন এইআরও-র বিরুদ্ধে পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন তাঁরা হলেন, ক্যানিং পূর্ব (দুই জন) - সত্যজিৎ দাস এবং জয়দীপ কুণ্ডু (এই দুই এইআরও-এর ক্ষেত্রেই পুনরায় চিঠি পাঠিয়েছে কমিশন। সুতি (মুর্শিদাবাদ) - শেখ মুর্শিদ খান, ময়নাগুড়ি-ডালিয়া রায়চৌধুরি, সামশেরগঞ্জ - সেফাদুর রহমান, ফরাক্কা - নীতিশ দাস, ডেবরা - দেবাশিস বিশ্বাস। চিঠিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, অভিযুক্তদের অবিলম্বে সাসপেন্ড করার পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক বিভাগীয় তদন্ত শুরু করতে হবে। যতটা সম্ভব দ্রুত সেরে ফেলতে এই প্রক্রিয়ার দায়িত্ব নিতে হবে সংশ্লিষ্ট ক্যাডার কন্ট্রোলিং অথরিটিকে।
নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, এসআইার সংক্রান্ত কাজে গুরুতর অসদাচরণ, দায়িত্বে গাফিলতি এবং আইনগত ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নন্দিনী চক্রবর্তী শুক্রবারই দিল্লি গিয়েছিলেন এবং তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এবার নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে অভিযুক্ত ৭ এইআরও-এর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের বার্তা দিল নির্বাচন কমিশনের দফতর।