বুধবার দুটি ভিন্ন ঘটনার সাক্ষী থেকেছে রাজ্যবাসী। একদিকে বিদ্রোহী শিবিরের মহিলা সাংসদদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে গোটা বাদল অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড। অন্যদিকে বিধ...
বুধবার দুটি ভিন্ন ঘটনার সাক্ষী থেকেছে রাজ্যবাসী। একদিকে বিদ্রোহী শিবিরের মহিলা সাংসদদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে গোটা বাদল অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড। অন্যদিকে বিধানসভায় ঘটল নজিরবিহীন ঘটনা। আখরুজ্জামান ও কুণালের দ্বৈরথে তুলকালাম কাণ্ড। বিরোধী দলের মুখ্য সচেতক আখরুজ্জামানকে বলতে বাধা। মার্শাল দিয়ে টেনে হিঁচড়ে চ্যাংদোলা করে বের করে দেওয়া হয় এবং সাসপেন্ড করা হয় কুণাল ঘোষকে। আখরুজ্জামান সাফ জানিয়েছেন, ৮০ জন বিধায়ক বলতে চাইলেই বলতে দেওয়া সম্ভব নয়।
এই পরিস্থিতিতে শোরগোল রাজনীতিতে। পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ দুটি ঘটনার প্রেক্ষিতে বলেন, এর আগে কল্যাণের বিরুদ্ধে দলেরই অন্য সাংসদরা অভিযোগ করেছেন। তিনি শহিদ দিবসে নেত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করেছেন। ড্রামা করেছেন। বিধানসভায় তারই একটি কার্বন কপি আছে। তাকে চ্যাংদোলা করে বাইরে ফেলা হয়েছে। ঘাড়ধাক্কা দিলেও বাইরে যাচ্ছে না। তাই চ্যাংদোলা করা হয়েছে। মিডিয়া অ্যাটেনশন করিয়ে ওইভাবে টিকে থাকা যায়না। একজন ভাষণ দিচ্ছে। তাকে গিয়ে ডিস্টার্ব করছে। স্পিকার কেন এটা সহ্য করবে। সুর চড়িয়ে বললেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী।
ভোটে ভরাডুবির পর থেকেও শিক্ষা নেয়নি তৃণমূল। এবার সব সীমা অতিক্রম করে তৃণমূলের সাংসদ -বিধায়কের কীর্তিতে এখনও কি বোধে ফিরবে না তৃণমূল? প্রশ্ন ওয়াকিবহাল মহলের।