প্রজাতন্ত্র দিবসের ভোররাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড আনন্দপুরে। সোমবার বেলা পর্যন্তও আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এখনও পর্যন্ত চারজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। দগ্ধ অবস্থায় পরে রয়েছে মৃতদেহ। নিখোঁজে...
প্রজাতন্ত্র দিবসের ভোররাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড আনন্দপুরে। সোমবার বেলা পর্যন্তও আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এখনও পর্যন্ত চারজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। দগ্ধ অবস্থায় পরে রয়েছে মৃতদেহ। নিখোঁজের সংখ্যা বাড়ছে ক্রমেই। এখনও বাকিদের খোঁজ চলছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সঠিক অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা ছিল না এই গুদাম গুলিতে। যে গোডাউনে আগুন লেগেছে তার পাশে একটি ডেকরেটার্সের গোডাউন ছিল। ডেকরেটার্সের গুদাম থেকে অগ্নিসংযোগ এর ঘটনা ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। সেই গুদামের লাগুয়ায় রয়েছে একটি সুবিশাল রান্নাঘর। ছয় থেকে সাতটি মাটির উনুন রয়েছে। একটি মাটির উনুনে বসানো রয়েছে বড় ডেঁচকি। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন এই রান্নাঘর থেকেই প্রথমে তারা আগুন দেখতে পান। তারপর সিলিন্ডার বিস্ফোরণের শব্দ পান তাঁরা।
জানা গিয়েছে, রবিবার ভোররাতে এই আগুন লাগে। রীতিমত স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর দেওয়া হয় দমকল এবং পুলিসে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১০ টি ইঞ্জিন। কিন্তু ততক্ষণে আগুন ভয়ঙ্কর আকার নেয়। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। আগুন নেভাতে গিয়ে রীতিমত হিমশিম খেতে হয় দমকল কর্মীদের।
সূত্রে খবর, বাইরে থেকে কাজ করতে আসা ডেকরেটার্স কর্মীদের থাকার ব্যবস্থা ছিল গোডাউনের ভিতরে। নিচে ছিল মালের গোডাউন। তার ওপর কাঠ বানিয়ে মানুষের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। যেহেতু নাইট শিফটে বাইরে কাজ ছিলনা, তাই বহু কর্মী গোডাউনেই ঘুমিয়েছিলে। পুলিসকে দেওয়া আত্মীয়দের বয়ান অনুযায়ী, নিখোঁজ সংখ্যা প্রায় ২০ ছাড়িয়েছে।