সরকার বদল হতেই 'ফুল অ্যাকশনে' ট্রাফিক পুলিশ ও কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন। যেসব পার্কিং আইন এতদিন, ইচ্ছে থাকলেও মানার উপায় ছিল না, এবার সেই আইনগুলিই সক্রিয়ভাবে লাগু হচ্ছে কলকাতার আনাচে কানাচে।...
সরকার বদল হতেই 'ফুল অ্যাকশনে' ট্রাফিক পুলিশ ও কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন। যেসব পার্কিং আইন এতদিন, ইচ্ছে থাকলেও মানার উপায় ছিল না, এবার সেই আইনগুলিই সক্রিয়ভাবে লাগু হচ্ছে কলকাতার আনাচে কানাচে।
সম্প্রতি গড়িয়াহাট চত্বরে, সুষ্ঠভাবে পার্কিং করতে পারা এক রমণীর ফেইসবুক লাইভে, সেই বক্তব্যই স্পষ্ট।
গড়িয়াহাট চত্বরে কেনাকাটা করতে গিয়ে, পার্কিং জটে ভোগান্তি পুহিয়েছেন কমবেশি অনেক নগরবাসীই। অবশেষে অন্ত ঘটলো সেসবের। গড়িয়াহাট ব্রিজের নিচে পার্কিং করতে হলে, আগে ঘণ্টাপ্রতি ২০ টাকা করে দিতে হতো নব্য তৃণমূল যুগে। ২০২১- এর নির্বাচনের পর সেই রেট-ই ছোঁয় ১০০ টাকা প্রতিঘন্টায়। তবে ২০২৬ এর সরকার বদলের পর পাল্টেছে সেই চিত্র ।এখন থেকে ব্রিজের নিচে ফ্রিতে পার্কিং করতে পারবেন শপিং- ফ্রিকরা।
জানেন কি পার্কিং আইন অনুযায়ী, আপনি যদি কোনো 'নো-পার্কিং জোনে' ভুল করে গাড়ি রাখেন তাহলে প্রথমবারের জন্য আপনাকে ৫০০ টাকা জরিমানা দিতে হলেও, ভুলের পুনরাবৃত্তি ঘটলে, সেই ফাইনের পরিমানই দাঁড়াবে ১৫০০ টাকায়।
রাত ১০টা থেকে সকাল ৭টার মধ্যে রাস্তায় গাড়ি পড়ে থাকলে তা পুলিশ সিজ করে নিতে পারে, আইনিপ্রক্রিয়া ছাড়া যা ফিরে পাওয়া কার্যত অসম্ভব।
আর লাইসেন্সড পার্কিং স্পটে গাড়ি রাখার সময়ও দেখে নিন, যাতে মেন্ রাস্তা থেকে আপনার পার্কিং স্পটটির দূরত্ব অন্তত ৫০ ফুট হয়।
সরকার বদলের পর পুনরায় পার্কিং আইনগুলি কার্যকরী হাওয়ায় কার্যত অনেকই অত্যন্ত খুশি। কেউ কেউ আবার ধন্যবাদজ্ঞাপন করছেন পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে।
পার্কিং শৃঙ্খলা ফেরানোর সাথে সাথে মহানগরে 'নারী ও শিশু সুরক্ষা'ও জোরদার করছে কলকাতা পুলিশ। সেই কারণেই জনবহুল এলাকাগুলিতে স্থাপন করা হচ্ছে 'পিঙ্ক বুথ' .
গড়িয়াহাট মোড়ও এর ব্যতিক্রম নয় । তাই শপিং লাভাররা কোনো বিপদে পড়লেই সহায়তার জন্য আর কল করতে হবে না ১০০ - তে। পাশেই পাবেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে, সবসময়।