কলকাতার রাস্তা পরিষ্কার রাখতে তৎপর রাজ্য সরকার। সে আবর্জনা হোক বা অবাঞ্চিত জঞ্জাট– কোনটাই বরদাস্ত করা হবে না বলে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফে। কিন্তু তা সত্ত্বেও নির্দেশ মানা হচ্ছে না বলে খব...
কলকাতার রাস্তা পরিষ্কার রাখতে তৎপর রাজ্য সরকার। সে আবর্জনা হোক বা অবাঞ্চিত জঞ্জাট– কোনটাই বরদাস্ত করা হবে না বলে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফে। কিন্তু তা সত্ত্বেও নির্দেশ মানা হচ্ছে না বলে খবর আসছে। ফলে সমস্যায় পড়ছেন সাধারণ মানুষ। এমতাবস্থায় রাস্তায় ইচ্ছাকৃত যানজট মুক্ত করতে নতুন ব্যবস্থা নিল সরকার। এবার সল্টলেকে লাইভ ট্রাফিক কন্ট্রোল রুম থেকে কলকাতায় যানজট তৈরির কারণ খতিয়ে দেখবেন আধিকারিকরা। আজ, শুক্রবার বিশ্বকর্মা পুজোর বিশেষ দিনে এই ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
জানা যাচ্ছে এই লাইভ ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমের সাহায্যে সল্টলেকে বসে গোটা রাজ্যের রাস্তাঘাটের উপর নজর রাখা যাবে। কলকাতা থেকে দার্জিলিং সর্বত্র চলবে জোর নজরদারি। এদিন মুখ্যমন্ত্রী নিজে ফারাক্কা, পালসিট, ডানকুনি, ধূলাগোড় চেকপোস্ট দেখেন। তাঁর মতে বেশ কিছু জায়গায় অতিরিক্ত সংখ্যক ট্রাফিক মোতায়েন করা দরকর। আবার যেখানে এত ট্রাফিক মোতায়েন সম্ভব হবে না, সেখানে অটোমেটেড ট্রাফিক সিস্টেমের বন্দোবস্ত করা হবে। পাশাপাশি অহেতুল যানজটের অভিযোগ থাকলে তা ১৮০০৩৪৫৮৯২২ নম্বরে ফোন করে জানান যাবে বলেও এদিন জানান শুভেন্দু।
অন্যদিকে আজ, পাহাড়ের যানজট সমস্যা নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর মতে পার্কিং-এর ভালো ব্যবস্থা না থাকায় ৬০ শতাংশ গাড়ি রাস্তায় পার্কিং করা হয়। ফলে স্থানীয়রা এবং পর্যটকরা সমস্যায় পড়েন। এই সমস্যা সমাধান করতে দ্রুত পার্কিংয়ের বন্দোবস্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। এই মর্মে দার্জিলিং, কালিম্পংয়ের জেলাশাসককে জিটিএকে সঙ্গে নিয়ে বর্ডার রোড এক্সটেন্ডের নিয়ম অনুযায়ী কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।