আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলীয় কার্যালয় ভাঙার উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ বজায় রাখল কলকাতা হাই কোর্ট। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ জানান, আগামী ৭ অগাস্ট পর্যন্ত স্থিতাবস্থা বজায় থাকবে। ওই দিন দুপুর ২...
আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলীয় কার্যালয় ভাঙার উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ বজায় রাখল কলকাতা হাই কোর্ট। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ জানান, আগামী ৭ অগাস্ট পর্যন্ত স্থিতাবস্থা বজায় থাকবে। ওই দিন দুপুর ২টোয় মামলার শুনানি হবে।
এর আগে রবিবার, ছুটির দিন জরুরি শুনানিতে হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ ওই ভবন ভাঙার ওপর অন্তর্বর্তী স্থিতাবস্থার নির্দেশ দিয়েছিল।
মঙ্গলবার রাজ্যের পক্ষ থেকে ওই স্থিতাবস্থা তুলে নেওয়ার জন্য নতুন করে আবেদন করেন। অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র জানান, মামলায় অন্তর্বতী নির্দেশ প্রত্যাহার আবেদন করা হয়েছে। ওই বিষয়ে দ্রুত শুনানি করা হোক। অপরদিকে লিপস্ অ্যান্ড বাউন্ডসের পক্ষ থেকে আইনজীবী কিশোর দত্ত অন্তর্বতী নির্দেশের মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন করেন। তৃণমূলের পক্ষ থেকেও ওই ভাঙার বিরুদ্ধে নতুন করে আবেদন করেন আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য।
রাজ্যের বক্তব্য, সেখানকার ৫০৯ এবং ৫১২ নম্বর দাগ জমির উপর নির্মাণ ভাঙা নিয়ে মামলা দায়ের হয়েছে। অথচ সেখানে কোনও ভাঙার কাজ হয়নি। ভাঙা হয়েছে ৫০৭ নম্বর দাগে। ফলে আদালতের আগের স্থিতাবস্থার নির্দেশ প্রত্যাহার করা উচিত।
আইনজীবী কিশোর দত্ত জানান, জমির দাগ নম্বর নিয়ে যে বিতর্ক রয়েছে ওই বিষয়ে বক্তব্য জানানো হবে। আমার মক্কেল জমির মালিক। ভাঙার আগে ওই সংস্থাকে কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি। এমনকি অভিযোগে কী ছিল, কোন নথির ভিত্তিতে বেআইনি নির্মাণ বলা হয়েছে সেই সব তথ্য দেওয়া হয়নি। কোনও বক্তব্যের সুযোগ না দিয়েই ভাঙা হয়েছে। যদি বেআইনি নির্মাণ হয়েও থাকে তবে প্রথমে জমির মালিককেই ভাঙার জন্য সময় দেওয়া উচিত। তিনি না ভাঙলে তখন কর্তৃপক্ষ পদক্ষেপ করতে পারত। এ ক্ষেত্রে সেটিও হয়নি।
এর পরেই বিচারপতি ঘোষ জানান, এই মামলায় তিনটি আলাদা আবেদন জমা পড়েছে। সেগুলি নিয়ে একত্রে শুনানি করা প্রয়োজন। তাই আপাতত মামলার শুনানি মুলতবি রাখা হল। আগামী ৬ আগস্ট এই মামলার শুনানি হবে।