দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে শুরু হয়েছে চিংড়িঘাটা মেট্রোর অসম্পূর্ন কাজ। পূর্বতন সরকারের আমলে এই মেট্রো লাইনকে কেন্দ্র করে বহু অভিযোগ উঠেছিল। কাজে বাধা দেওয়া হচ্ছিল বলেও দাবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু রাজ্যে ...
দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে শুরু হয়েছে চিংড়িঘাটা মেট্রোর অসম্পূর্ন কাজ। পূর্বতন সরকারের আমলে এই মেট্রো লাইনকে কেন্দ্র করে বহু অভিযোগ উঠেছিল। কাজে বাধা দেওয়া হচ্ছিল বলেও দাবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু রাজ্যে সরকার পরিবর্তন হতেই 'ডবল ইঞ্জিন' সরকারের তত্বাবধানে দ্রুত গতিতে শুরু হয়েছে সেই অসম্পূর্ন কাজ। শনিবার সেই কাজ দেখতেই চিংড়িঘাটা গিয়েছিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। সেখানে দাঁড়িয়েই তৃণমূলকে দুষলেন তিনি।
আজ সকালে প্রথমে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করেন রেলমন্ত্রী। বৈঠক শেষে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা সাংবাদিক বৈঠক করে জানান তাঁরা। জানান হয়, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ১৪ হাজার ২০৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র। তার মধ্যে এবার ১ লক্ষ কোটি টাকার কাজ হবে। এদিন রেলমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী দু'জনেই জানান, বিগত তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্য-কেন্দ্রের মধ্যে ছিল 'যুদ্ধ যুদ্ধ' ভাব ছিল। যার জেরে বাংলার রেল উন্নয়ন থমকে ছিল। তবে সরকারের পালাবদলে সে সমস্যা মিটে যাবে। তেমনই মত ওয়াকিবহাল মহলের।
এমতাবস্থায় আজ বিকেলেই চিংড়িঘাটা মেট্রোর অসম্পূর্ন কাজ দেখতে বাইপাস এলাকায় যান রেলমন্ত্রী। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ও বিধায়ক জগন্নাথ চট্টপাধ্যায়। এছাড়াও ছিলেন মেট্রোর অন্যান্য ইঞ্জিনিয়াররা। সেখানে দাঁড়িয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়ান রেলমন্ত্রী। বলেন, তৃণমূলের সময়ে চিংড়িঘাটার মেট্রোর কাজ আটকে ছিল। এই কাজ আটকানোর জন্য আদালতেও গিয়েছিল তৎকালীন সরকার। আদালত নির্দেশ দিলেও সেই শুরু হয়নি। এবার রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরই সেই কাজ হল। আঠারো মাস ধরে থমকে থাকা কাজ এই কদিনে ব্যাপক গতি পেয়েছে বলেও জানান তিনি।