প্রশাসন এবং বিশেষত মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ। কার্নিভাল করতে পারলেন কিন্তু অনশনমঞ্চে যাওয়ার সময় হল না। ন্যায় সংগত দাবির খতিয়ান তুলে সাংবাদিক বৈঠকে ক্ষোভ উগ্রে দিলেন অনশনরত চিকিৎসক। সপ্তাহের মুখে চি...
প্রশাসন এবং বিশেষত মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ। কার্নিভাল করতে পারলেন কিন্তু অনশনমঞ্চে যাওয়ার সময় হল না। ন্যায় সংগত দাবির খতিয়ান তুলে সাংবাদিক বৈঠকে ক্ষোভ উগ্রে দিলেন অনশনরত চিকিৎসক। সপ্তাহের মুখে চিকিৎসকদের আমরণ অনশন। উস্কোখুস্কো চুল, কথা বলতে গিয়ে গলা শুকোচ্ছে। সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্য প্রশাসন, বিশেষত মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকায় ক্ষোভ উগ্রে দিলেন আন্দোলনরত চিকিৎসক। অনশনে গলা দিয়ে পড়া প্রতিটা জলের ফোঁটার হিসেব দিতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে। শুকনো গলায় বার্তা।
গত ১৫ অক্টোবর রেডরোডে পুজো কার্নিভাল সেরেছেন মুখ্যমন্ত্রী। নাচের তালে পা মিলিয়েছেন। তার থেকে ডোরিনা ক্রসিংয়ের অবস্থান অনশন খুব বেশিদূর নয়। সেই বিষয়টিও উঠে এসেছে চিকিৎসকদের বক্তব্যে। মুখ্যমন্ত্রীর মাতৃসত্ত্বা কোথায়? একবারও অনশনমঞ্চে পৌঁছনোর সময় হল না? হতাশায় উঠল অনেক প্রশ্ন। ন্যায় বিচারের দাবিতে প্রতিদিন অনশন মঞ্চে পৌঁছচ্ছে জনসাধারণ। এদিকে মুখ্যমন্ত্রীর সময় হচ্ছে না? চিকিৎসকদের আন্দোলন বাংলার সর্বধর্মসমন্বয়ের অনন্য নজির গড়েছে। সবধর্মের জল যেন এসে মিশেছে এই মোহনায়। বললেন অনশনরত চিকিৎসক।
সোদপুর থেকে ধর্মতলার অনশন মঞ্চ পর্যন্ত শনিবার ন্যায়বিচার যাত্রার ডাক দিয়েছেন চিকিৎসকেরা। পশ্চিমবঙ্গ জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্টের শনিবারের এই ডাকে কি আবার এক হবে লক্ষ লক্ষ কণ্ঠস্বর। শনিতে নজর থাকবে কলকাতায়।