কাদম্বিনী ধর্ষণ এবং হত্যাকাণ্ডের মামলায় এবার মঙ্গলবার আদালতের দ্বারস্থ হন কাদম্বিনীর মা- বাবা। শিয়ালদহ আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে ছটি আবেদন জানান তাঁরা। সূত্রের খবর, এই আবেদন গুলি হল-কাদম্বিনীর মা- বাব...
কাদম্বিনী ধর্ষণ এবং হত্যাকাণ্ডের মামলায় এবার মঙ্গলবার আদালতের দ্বারস্থ হন কাদম্বিনীর মা- বাবা। শিয়ালদহ আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে ছটি আবেদন জানান তাঁরা। সূত্রের খবর, এই আবেদন গুলি হল-
কাদম্বিনীর মা- বাবার আবেদন-
১) এই ঘটনার যারা ফোটোগ্রাফি আর ভিডিওগ্রাফি করেছিল তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত। যে ফটো আর ভিডিও কলকাতা পুলিস হ্যান্ডওভার করেছে সেটা অসম্পূর্ণ।
২) ঘটনার দিনের সিসিটিভি ফুটেজ চাওয়া হয়েছে। ৮ অগাস্ট ২০২৪ রাত ৯ টা থেকে ৯ অগাস্ট ২০২৪ দুপুর ১২ টা পর্যন্ত আরজিকরের ভেতরে প্রতিটা ডিপার্টমেন্ট থেকে টপ ফ্লোর পর্যন্ত এবং মেন এন্ট্রান্স এবং প্রতিটা ঘরের সিসিটিভি ফুটেজ রিভিউ করবার আবেদন। মোট ১৫ ঘণ্টা সিসিটিভি ফুটেজের আবেদন।
৩) এই ঘটনায় কাদম্বিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ৪ চিকিৎসক পড়ুয়াকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন। যারা হলেন অর্ক সেন, গোলাম রাজা,সৌমিত্র রায়, শুভদীপ রয় মহাপাত্র।
৪)অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অ্যাকশনের আবেদন। টালা থানার দুই অফিসার, কলকাতা পুলিসের তদন্তকারী অফিসার রুপালি মুখার্জী এবং সেই ব্যক্তি যারা এই তিনজনকে ইন্সট্রাকশন দিয়েছিল। সিবিআই আইও সীমা পাহুজার বিরুদ্ধে অ্যাকশন নেওয়ার আবেদন।
৫) এই মামলায় অন্যতম দোষী সঞ্জয় রায়কে যিনি সেই সময় আরজিকর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে পাঠিয়েছিলেন সেই মূলচক্রী অনুপ দত্তকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন।
ফলে যে বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের কথা মামলায় তুলে ধরা হয়েছে বারবার সেই ষড়যন্ত্রে সিবিআই লিপ্ত বলে মনে করছেন কাদম্বিনীর বাবা। অনুপ দত্তের পলিগ্রাফ টেস্ট নিয়েও এদিন আদলতে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
নির্যাতিতার আইনজীবী অমর্ত্য দে বলেন সিবিআইকে জানানো হয়। এরপরেও আদালতে সিবিআই অনুপস্থিত। তৃতীয় স্টেটাস রিপোর্ট আমরা দিয়েছি। সুপ্রিম কোর্ট থেকে স্টেটাস রিপোর্ট চাই। মোট ৮টি আবেদন আছে।
আদালত সব শোনার পর ১৯ ফেব্রুয়ারী মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন।
সূত্রের খবর,মোট ১২ পৃষ্টায় ৯ টি আবেদন জানানো হয় কাদম্বিনীর বাবা-মা-এর তরফে।