ক্ষমতা, পদ, রাজত্ব হারিয়ে এবার প্রতীকহারা হল তৃণমূল। জোড়াফুলের দখল নিতে পারল না ঋতশিবির বা কালীঘাট শিবিরের কেউ। যদিও কমিশনের এই সিদ্ধান্ত তাঁরা মানেন না বলেই পরিষ্কার জানিয়েছেন মমতাপন্থী সাংসদ কল্যাণ ...
ক্ষমতা, পদ, রাজত্ব হারিয়ে এবার প্রতীকহারা হল তৃণমূল। জোড়াফুলের দখল নিতে পারল না ঋতশিবির বা কালীঘাট শিবিরের কেউ। যদিও কমিশনের এই সিদ্ধান্ত তাঁরা মানেন না বলেই পরিষ্কার জানিয়েছেন মমতাপন্থী সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু পরিস্থিতির শিকার হয়ে দলের নতুন তিনটি নাম ও প্রতীক ইমেল মারফৎ নির্বাচন কমিশনকে পাঠিয়েছেন তাঁরা। একইভাবে শুক্রবার সকালে নিজেদের নাম ও প্রতীক জমা দিয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
বৃহস্পতিবার মধ্যরাতেই 'তৃণমূল কংগ্রেস' নাম ও ঘাসফুল প্রতীক ফ্রিজ করে নেয় নির্বাচন কমিশন। তারপর থেকেই দুই শিবিরের মধ্যে শুরু হয় উত্তেজনা। কমিশনের সিদ্ধান্তে প্রবল আপত্তি তোলে কালীঘাট শিবিরের। এরপর রাতেই নিজের আপত্তির কথা জানিয়ে কমিশনে চিঠি লেখেন মমতা। পাশাপাশি দলের তিনটি নাম ও প্রতীকের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। অন্যদিকে শুক্রবার সকালে ঋত শিবিরের তরফেও নিজেদের দলের নাম ও প্রতীক পাঠান হয়েছে কমিশনে। এমতাবস্থায় কমিশনের তরফে পরবর্তী পদক্ষেপ কী নেওয়া হবে, তা নিয়ে বাড়ছে কৌতূহল।
বলে রাখা ভালো, ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠা করার সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জোড়াফুল প্রতীকটি নিজে এঁকেছিলেন। ওই প্রতীকেই ভোট লড়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমানে সেই প্রতীক অতীত। কার্যত হাতছাড়া হয়েছে 'ঘাসফুল' চিহ্ন। দীর্ঘ ২৮ বছর পর রাজ্যে দুটি কেন্দ্রে ভোট হতে চলেছে, যেখানে জোড়াফুল প্রতীকের কোনও প্রার্থী থাকছে না। বদলের বাংলায় তৃণমূলকে যে এমন দিনও দেখতে হবে, তা কে কল্পনা করেছিল!