সম্প্রতি বিস্তর বাকযুদ্ধে জড়িয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ও শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দোপাধ্যায়। এবার সেই কলহ আরও জোড়াল হল। আজ, বুধবার রাজ্যপালের বিরুদ্ধে হেয়ার স্ট্রিট থানায় ম...
সম্প্রতি বিস্তর বাকযুদ্ধে জড়িয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ও শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দোপাধ্যায়। এবার সেই কলহ আরও জোড়াল হল। আজ, বুধবার রাজ্যপালের বিরুদ্ধে হেয়ার স্ট্রিট থানায় মামলা দায়ের করলেন কল্যাণ। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৬১, ১৫২, ১৯২, ১৯৬ ও ৩৫৩ নম্বর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে খবর সূত্রের।
এই ঘটনার ঠিক আগের দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার রাজভবনের তরফেও তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছিল। কল্যাণের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহ উস্কে দেওয়ার অভিযোগে বিএনএস-এর ১৫১, ১৫২ নম্বর ধারায় মামলা রুজু হয়। একইসঙ্গে রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানের বিরুদ্ধে গুরুত্বর অভিযোগ আনার দায়ে ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় ১৯৭ নম্বর ধারাতেও মামলা দায়ের করা হয় তাঁর বিরুদ্ধে। এবার বুধবার এই মামলার পালটা অভিযোগ দায়ের করল কল্যাণও।
তবে এই কলহের সূত্রপাত ঘটে কল্যাণের এক বিতর্কিত মন্তব্যের পরেই। তৃণমূল সাংসদ প্রকাশ্যে দাবি করেছিলেন, তৃণমূল নেতা কর্মীদের খুন করার জন্যে রাজভবনে বোমা বন্দুক মজুত করে রাখা হয়েছে। আর এই মন্তব্যের পরেই কার্যত নজিরবিহীন দৃশ্য ধরা পড়ে রাজভবনে। বোম্ব স্কোয়াড মোতায়েন করে, রাজভবনের ভিতরে থাকা সবাইকে বাইরে বের করে শুরু হয় তল্লাশি। আর সেই তল্লাশি অভিযানের নির্দেশ দিয়েছিলেন খোদ রাজ্যপাল। তারপরেই তিনি জানিয়েছিলেন, যদি কল্যাণের অভিযোগ অসত্য প্রমাণিত হয় তাহলে সেক্ষেত্রে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর তার পরেই মঙ্গলবার কল্যাণের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয় থানায়।
উল্লেখ্য, কল্যাণের বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগপত্রে সি ভি আনন্দ বোস তাঁর নাম, ঠিকানা, ইত্যাদি উল্লেখ করলেও তাঁর পদটি উল্লেখ করেননি। শুধুমাত্র ব্যক্তি সি ভি আনন্দ বোসের নাম করেই অভিযোগ দায়ের করেছেন। এছাড়াও ওই অভিযোগপত্রে একাধিক ভিডিয়োর লিংক তুলে ধরা হয়েছে। যা তদন্তে সাহায্য করবে বলে মনে করা হচ্ছে।