তৃণমূল ক্ষমতা থেকে বিদায় নেওয়ার পরই শুরু 'ডিম সংস্কৃতি'। দক্ষিণ ২৪ পরগণার সোনারপুরে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ে সেখানরকার বাসিন্দারা। সেই থেকে ট্রেন্ডিং চলছে ডিম ছোড়াছুড...
তৃণমূল ক্ষমতা থেকে বিদায় নেওয়ার পরই শুরু 'ডিম সংস্কৃতি'। দক্ষিণ ২৪ পরগণার সোনারপুরে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ে সেখানরকার বাসিন্দারা। সেই থেকে ট্রেন্ডিং চলছে ডিম ছোড়াছুড়ি। লাথি খেয়ে কচুবনের পর জয়প্রকাশ মজুমদারকে দেখে ডিম ছোড়ে ক্ষিপ্ত জনতা। তৃণমূলের শওকত মোল্লাকে ঘিরে উপচে পড়ে জনরোষ। উড়ে আসে ডিম। এখানেই শেষ নয়, এরপর সেই তালিকায় মদন মিত্র।
যদিও সেই ছবিটা মোটেও 'লাভলি' ছিল না। দক্ষিণেশ্বরের আড়িয়াদহ কালাচাঁদ মোড়ে কামারহাটি পুরসভার অন্তর্গত ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল অটো এবং টোটো চালকেরা। সেই বিক্ষোভের খবর পেয়ে সেখানে যান কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। তার গাড়ি দেখে ফেটে পড়ে বিক্ষোভকারীরা। চোর স্লোগান ওঠে। ছোড়া হয় ডিম। দ্রুতই জায়গা ত্যাগ করেন মদন।
এই ঘটনায় সুর চড়িয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা নোয়াপাড়ার বিধায়ক অর্জুন সিং। তিনি বলেন, এক দুষ্কৃতীর নাম সামনে এনে ইচ্ছাকৃতভাবে একটি নাটক তৈরি করা হচ্ছে। নিরাপত্তা বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই এই ধরনের ঘটনা প্রচার করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, এই ধরনের রাজনৈতিক নাটক কোনওভাবেই মেনে নেবেন না।
ট্রেন্ডিংয়ে এখন শুধু ডিম ছোড়াছুড়ি। জনরোষ যে ডিম ছোড়াছুড়িতে পরিণত হবে তা ভাবতেও পারেনি বিদায়ী শাসকদল। তৎকালীন মমতা সরকারের আমলে ব্রিগেডে সভা মানেই ছিল ডিম-ভাত। আর সেই তৃণমূলকে দেখলেই এখন ডিম ছুড়ছে আমজনতা। নিজের জালে নিজেই ফেঁসেছে তৃণমূল। এখন দেখার আর কতজনের কপালে ডিম জোটে?