এদিন সু্প্রিম কোর্ট স্পষ্টভাষায় জানিয়ে দিয়েছে, অতীতে অপরাধের নজির বা ক্রিমিনাল কেস না-থাকলে নিট-আন্দোলনে ধৃতদের জামিন দেওয়া হোক। নয়াদিল্লি থেকে এই খবর কলকাতায় পৌঁছতেই নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি হয়...
এদিন সু্প্রিম কোর্ট স্পষ্টভাষায় জানিয়ে দিয়েছে, অতীতে অপরাধের নজির বা ক্রিমিনাল কেস না-থাকলে নিট-আন্দোলনে ধৃতদের জামিন দেওয়া হোক। নয়াদিল্লি থেকে এই খবর কলকাতায় পৌঁছতেই নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি হয়। আদালতে পেশ করার পর ধৃতদের ৩০ তারিখ অবধি জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এদিন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর ধৃতদের আইনজীবী ব্যাঙ্কশাল কোর্টে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। এবং, ধৃত ১৬ জনেরই জামিন মঞ্জুর করেন বিচারক।
জামিন পেলেও ধৃতদের নামে যে এফআইআর প্রত্যাহার করা হয়েছে তা প্রত্যাহার করা হচ্ছে কি না, তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকার তাদের যাবতীয় শর্ত মেনে নেওয়ায় শনিবার আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেয় ককরোচ পার্টি। প্রসঙ্গত, ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা ছাড়াও ককরোচদের বেশ কিছু দাবি ছিল। যার অন্যতম হল, বিক্ষোভ-আন্দোলনে অংশ নেওয়া ছাত্র-যুবদের নামে এফআইআর তুলে নিতে হবে। ব্যস। তারপরেই শান্ত হয়েছিল দিল্লির যন্তর মন্তর।
কিন্তু, সোমবার থেকে পরিস্থিতি ফের জটিল হতে শুরু করে। ককরোচ নেতৃত্ব লক্ষ করে, দিল্লি পুলিস এফআইআর তুলে নিলেও বিজেপি-শাসিত একাধিক রাজ্য কিন্তু সেই পথে হাঁটেনি। যার মধ্যে অন্যতম অসম, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ। সোমবারই ককরোচদের মুখপাত্ররা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ওইসব রাজ্যে অবিলম্বে এফআইআর তুলে না-নিলে ফের আন্দোলন শুরু হবে।
এই পরিস্থিতিতে, অসম ও বিহার সরকার বিক্ষোভকারীদের নামে এফআইআর তুলে নেয়। সোমবার রাতেই ওই দুই রাজ্য এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করে। কিন্তু প্রশ্ন ওঠে, বাংলার বিজেপি সরকার কোন পথে হাঁটবে?