পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৎপর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকরা। দুই ছেলের পর ইডি দফতরে হাজিরা দিলেন মদন মিত্রের স্ত্রী অর্চনা মিত্র। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ ইডি দফতরে পৌঁছন তিনি। সঙ্গে ছিলেন ছোট...
পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৎপর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকরা। দুই ছেলের পর ইডি দফতরে হাজিরা দিলেন মদন মিত্রের স্ত্রী অর্চনা মিত্র। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ ইডি দফতরে পৌঁছন তিনি। সঙ্গে ছিলেন ছোট ছেলে শুভরূপ মিত্র। জানা যাচ্ছে, এই মামলায় আগামী বুধবার তলব করা হয়েছে কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ককে।
তদন্তকারীদের দাবি, নগদ অর্থ কিংবা সোনাদানার বিনিময়ে কামারাহাটি ও টিটাগড়় পুরসভায় চাকরি পেয়েছিলেন অন্তত ১২৫ জন। এই সূত্রেই উঠে আসে মদনের নাম। সেই ঘুষের টাকা মদন মিত্রের ছেলে ও স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে গিয়েছে বলে সন্দেহ ইডির। তদন্তকারীদের দাবি, নিয়োগ দুর্নীতির বেশ কিছু রহস্যময় আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে বিধায়কের স্ত্রী ও পুত্রদের নাম জড়িয়ে যাওয়ার তথ্যও সামনে এসেছে। মিডলম্যানদের মাধ্যমে নিয়োগে চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া ঘুষের টাকা মদন মিত্রের কাছে পৌঁছে যেত বলে মনে করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।
উল্লেখ্য গত জুন মাসেই মদন মিত্রের একাধিক বাড়িতে একসঙ্গে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। কলকাতা ও শহরতলির মোট সাতটি জায়গায় চলে অভিযান, যার মধ্যে ছিল বিধায়কের ভবানীপুর ও কালীঘাটের বাড়ি। এ ছাড়াও তল্লাশি চালানো হয় দক্ষিণেশ্বর, সন্তোষপুর, জোকা ও বেলেঘাটার বিভিন্ন ঠিকানায় । তল্লাশি চালিয়ে এমন কিছু বেহিসাবি লেনদেনের তথ্য পায় তার ভিত্তিতেই মদনের দুই ছেলে ও স্ত্রীকে তলব। আগামী ২৯ জুলাই এই মামলার সূত্রেই তলব করা হয়েছে কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রকে। তিনি হাজিরা দেন কিনা সেটাই দেখার। কার্যত পুরনিয়োগ দুর্নীতির শিকড় কত দূর বিস্তৃত তা জানতে মরিয়া এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।