ইভিএম বদলের আশঙ্কা প্রকাশ করে স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার রাতে প্রায় চার ঘন্টা সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের স্ট্রংরুমে চেয়ার পেতে বসে থাকতে দেখা...
ইভিএম বদলের আশঙ্কা প্রকাশ করে স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার রাতে প্রায় চার ঘন্টা সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের স্ট্রংরুমে চেয়ার পেতে বসে থাকতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এমতাবস্থায় স্ট্রংরুমে মমতার উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে তিনি দাবি করেছেন, 'কোনও নিয়ম বহির্ভূত কাজ' করতে পারেননি মমতা।
শুক্রবার রাতে এক্স মাধ্যমে একটি পোস্ট করেন শুভেন্দু। তাতে তিনি লেখেন, 'ভবানীপুর নির্বাচনী এলাকা-সহ সমগ্র পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোটার ভদ্রমণ্ডলীকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, এই কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তথা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী, মাননীয়াকে কোনওরকম বাড়তি সুবিধা নেওয়া থেকে বিরত থাকতে বাধ্য করা হয়েছে।' পাশাপাশি মমতাকে নিশানায় নিয়ে বিরোধী নেতার খোঁচা, '‘উনি যতই চেষ্টা চালান না কেন, কোনও রকম নিয়ম বহির্ভূত কাজ তিনি করতে পারেননি। উনি যতক্ষণ স্ট্রংরুম প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন, আমার ইলেকশন এজেন্ট অ্যাডভোকেট সূর্যনীল দাস নিজে উপস্থিত থেকে ওঁকে কড়া নজরদারির মধ্যে রেখেছিলেন যাতে উনি কোনও অসৎ উপায় অবলম্বন করতে না পারেন।'
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার বিকেলে সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তা পোস্ট করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। সেখানে ইভিএম বদল হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তিনি। দলের ২৯৪ জন প্রার্থীকে স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছিলেন নেত্রী। এরপর আর সময় নষ্ট না করে তিনি নিজেই রওনা দেন সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের গণনাকেন্দ্রের স্ট্রংরুমে। সেখানে প্রায় চার ঘন্টা উপস্থিত ছিলেন তিনি। এরপর বাইরে বেরিয়ে পুলিসের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। পাশাপাশি স্ট্রংরুমের বাইরেও সিসি ক্যামেরা রাখার দাবি তুলেছিলেন ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী।