ফের নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংঘাতে নবান্ন। রাজ্যের কাছে কোনোই চিঠি আসেনি জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে। ৪ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার লিখিত নির্দেশ আসেনি বলে নবান্ন সূত্রের খবর। এসআই...
ফের নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংঘাতে নবান্ন। রাজ্যের কাছে কোনোই চিঠি আসেনি জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে। ৪ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার লিখিত নির্দেশ আসেনি বলে নবান্ন সূত্রের খবর। এসআইআরের কাজে গাফিলতির অভিযোগে এই আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দিয়েছিল দিল্লির নির্বাচন কমিশন। কিন্তু নবান্ন থেকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি পাঠিয়ে জানাতে চাওয়া হয় ‘লঘু দোষে গুরুদণ্ড’ কেন দেওয়া হচ্ছে ওই আধিকারীকদের? সিইও দপ্তর সূত্রে খবর, ওই চিঠি কমিশনের দিল্লির কার্যালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনে শুনানির কাজে বাড়ি বাড়ি এনুমারেশন ফর্ম পৌঁছে দিয়ে তা পূরণ করানোর কাজ চলছে। তার ভিত্তিতে খসড়া তালিকায় নাম উঠেছে ভোটারদের।আর এই কাজেই দুই এইআরও, দুই ইআরও সহ ৫ নির্বাচনী আধিকারিকের বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগ ওঠে।পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্বের ইআরও এবং এইআরও-র বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে ভোটার তালিকায় নাম তোলার অভিযোগে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। ওই দুই জেলার জেলাশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
কমিশনের সেই নির্দেশের পর প্রায় ১৫ দিন কেটে গেলেও তা কার্যকর করা হয়নি বলে অভিযোগ। কমিশন সূত্রে খবর, চিঠিতে এজির পরামর্শের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। তাতে জানানো হয়েছে, ওই চার আধিকারিকের ‘অপরাধ’ এফআইআর করার জন্য যথেষ্ট নয়। এ প্রসঙ্গে ‘লঘু পাপে গুরু দণ্ড’ প্রবাদটি উল্লেখ করেছে নবান্ন। বলা হয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ অপরাধে এত বড় শাস্তি দেওয়া ঠিক নয়। তাই এফআইআর করার নির্দেশ প্রত্যাহার করুক কমিশন।
কিন্তু শুক্রবার মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্ত্তীকে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য ডেডলাইন বেধে দেয় জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ফলে ফের জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে নবান্নের সংঘাত সপ্তমে। আগামী ১৭ তারিখের মধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নির্দেশ দেয় জাতীয় নির্বাচন কমিশন।