নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাজনিত ব্যবস্থা প্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা জারি। আজ প্রকাশিত কার্যালয় স্মারকে জানানো হয়েছে যে, নির্বাচন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী,...
নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাজনিত ব্যবস্থা প্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা জারি। আজ প্রকাশিত কার্যালয় স্মারকে জানানো হয়েছে যে, নির্বাচন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, শৃঙ্খলাভঙ্গ বা কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে ছয় মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে এবং সেই তথ্য কমিশনকে জানাতে হবে।
পূর্ববর্তী নির্দেশে বলা হয়েছিল, নির্বাচন কমিশনের অধীনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পুলিস সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা কমিশনের রয়েছে। তবে সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কেবলমাত্র লিখিত ব্যাখ্যার ভিত্তিতে কোনও অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে চাইলে, সংশ্লিষ্ট বিভাগকে বাধ্যতামূলকভাবে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে। এর ফলে কমিশন নিজস্ব মতামত ও প্রয়োজনীয় তথ্য শেয়ার করার সুযোগ পাবে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই নির্দেশিকা অনুযায়ী, দেশের সব মন্ত্রণালয় ও দফতরকে যথাযথভাবে নিয়মাবলি মানতে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবহিত করতে বলা হয়েছে।
সম্প্রতি ভোটার তালিকা নিয়ে কারচুপির অভিযোগে চারজন সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছিল কমিশন। কিন্তু রাজ্য সরকার জানিয়ে দেয়, এখনও কোনও নির্বাচন ঘোষণা হোয়নি, কাজেই মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট কার্যকর নয় এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রশ্নও ওঠে না।