আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসকদের অসাধ্য সাধন। তাদের হাত ধরে পূর্ব ভারতের প্রথম হাড় প্রতিস্থাপনের নজির গড়ল আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। ২০২৩ সালে লরি দুর্ঘটনায়...
আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসকদের অসাধ্য সাধন। তাদের হাত ধরে পূর্ব ভারতের প্রথম হাড় প্রতিস্থাপনের নজির গড়ল আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। ২০২৩ সালে লরি দুর্ঘটনায় বাঁ পায়ের ফিমার বোন নষ্ট হয়ে যায় ৩১ বছরের রিজাউদ্দিন মণ্ডলের। রিজাউদ্দিন উত্তর ২৪ পরগনার বিড়ার বাসিন্দা। দু দুবার অস্ত্রপচার হয় তাঁর, কিন্তু তাতে কোনও উপকার হয়নি।
২০২৪ সালে তাঁর হাঁটুর নিচ থেকে হাড়ের টুকরোসহ টেন্ডন নিয়ে, ছিঁড়ে যাওয়া লিগামেন্ট পুনর্নির্মাণ করা হয়। তবে সেই অস্ত্রোপচার সফল হয়নি । এরপর তার বাঁ পা সম্পূর্ণ বাদ দেওয়ার মত পরিস্থিতি হয়।
এরপর চিকিৎসকরা স্থির করেন হাড় প্রতিস্থাপন করার। চেন্নাই থেকে এক মৃত ব্যক্তির হাড় সংগ্রহ করে রিজাউদ্দিনের বাঁ পায়ে প্রতিস্থাপন করেন তাঁরা। এবং সফল হয় অস্ত্রোপচার। তবে এই হাড় প্রতিস্থাপন করার খরচ অনেক ছিল। কিন্তু রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর পাশে এসে দাঁড়ায়। চেন্নাই থেকে এই হাড় আনতে যে প্রায় আড়াই লাখ টাকা খরচ হয় , তা পুরোটাই দেয়
রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। এরপর সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই গোটা অপারেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় আরজি কর হাসপাতালে। ফলে এক মানবিক উদ্যোগ নিল আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল এবং রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। আগে পা ভাঁজ না করতে পারা ছেলেটা এবার পা ভাঁজ করে স্বাভাবিকভাবে হাঁটা চলা করতে পারবে, স্বভাবতই খুশি রিজাউদ্দিন ।