আপাতত কয়েকদিনের স্বস্তিতে সন্দেশখালির বাদশা শেখ শাহজাহান। বৃহস্পতিবার হল না জমি দখল, ভেরি দখল এবং মাছের আমদানি রপ্তানি সংক্রান্ত আর্থিক দুর্নীতির ইডির মামলায় শেখ শাহজাহান, শেখ আলমগীর, শিবপ্রসাদ হাজরা ...
আপাতত কয়েকদিনের স্বস্তিতে সন্দেশখালির বাদশা শেখ শাহজাহান। বৃহস্পতিবার হল না জমি দখল, ভেরি দখল এবং মাছের আমদানি রপ্তানি সংক্রান্ত আর্থিক দুর্নীতির ইডির মামলায় শেখ শাহজাহান, শেখ আলমগীর, শিবপ্রসাদ হাজরা এবং দিদার বাক্স মোল্লার বিরুদ্ধে চার্জগঠন। আগামী ৯ মার্চ এই মামলা পরবর্তী শুনানির দিনই সম্ভাব্য চার্জগঠন হবে বলে আদালত সূত্রের খবর।
উল্লেখ্য, জমি দখল, ভেরি দখল এবং মাছের আমদানি রপ্তানি সংক্রান্ত আর্থিক দুর্নীতি মামলায় ইতিপূর্বে ধৃত শেখ শাহজাহান এবং শেখ আলমগীরের জামিনের আবেদন খারিজ হয় কলকাতার নগর দায়রা আদালতে। সূত্রের খবর, ২০১৩ সালে শেখ শাজাহান তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করে আগরহাটি গ্রাম পঞ্চায়েত সরবেরিয়ায় উপ-প্রধান হন। রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত প্রভাবশালী এক ব্যক্তির মাধ্যমে এবং রাজ্য সরকারের তৎকালীন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সমর্থনে শেখ শাহজাহানের এই নিয়োগটি হয়েছিল বলে অভিযোগ। শেখ শাহজাহান ১০০ জনের বেশি দুষ্কৃতীকে নিয়োগ করেছিলেন, যারা তার চারপাশে এবং তার বাড়িতে থাকতো। এই দুষ্কৃতীরাই সাধারণ মানুষকে ভয় দেখাত, চাঁদাবাজি করত এবং জোর করে তাদের শেখ শাজাহানের আদেশ মেনে চলতে বাধ্য করত। যারা এর বিরোধীতা করেছিল তাদের শারিরিক নির্যাতন, গুরুতর পরিণতি এবং হুমকির সম্মুখীন হতে হয়েছিল। শেখ আলমগীর, সিরাজুদ্দিন শেখ, শিব প্রসাদ হাজরা সহ আরও বেশ কয়েকজন অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র বহন করার জন্য পরিচিত ছিল এবং ক্ষমতা প্রদর্শন করতে দ্বিধা করত না বলেই অভিযোগ।