শুরুতে সেভাবে কোনও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। কিন্তু, ককরোচ-দের মিছিল ধর্মতলায় পৌঁছতেই তার রূপ বদলে গেল। নিট পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে দিল্লিতে বিক্ষোভ আন্দোলন চলছে এবং তার আঁচ এসে পড়েছে ...
শুরুতে সেভাবে কোনও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। কিন্তু, ককরোচ-দের মিছিল ধর্মতলায় পৌঁছতেই তার রূপ বদলে গেল।
নিট পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে দিল্লিতে বিক্ষোভ আন্দোলন চলছে এবং তার আঁচ এসে পড়েছে কলকাতাতেও। এদিন, কয়েকটি ছাত্র সংগঠনের ডাকে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেওয়া হয়। পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী শিয়ালদহ স্টেশনের সামনে জড়ো হন বিক্ষোভকারীরা। ককরোচদের এই মিছিল ধর্মতলায় পৌঁছতেই রণক্ষেত্রে হয়ে ওঠে চারপাশ। পুলিসকে লক্ষ্য করে জুতো, জলের বোতল ছোড়া হয়। প্রশ্ন ওঠে, প্রতিবাদ, বিক্ষোভ, মিছিল, সব
ঠিক আছে। কিন্তু, আচমকা কেন পুলিসকে নিশানা করা হল?
পুলিস সূত্রে খবর, ককরোচদের মিছিলে ঢুকে পড়েছে ‘অ্যান্টি ন্যাশানালরা’।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠি উঁচিয়ে তেড়ে যায় পুলিস। তিন ঘণ্টারও বেশি সময় অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে ধর্মতলা চত্বর। যান চলাচল থমকে যায়।
প্রসঙ্গত, ডাক্তারির সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট-এর প্রশ্নফাঁসকে কেন্দ্র করে দেশের রাজধানী রীতিমতো উত্তপ্ত। যার আঁচ পড়েছে বিহার থেকে শুরু করে কলকাতা শহরেও। জেন-জ়ি-র বিক্ষোভ সর্বত্র। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের চোখও এখন দিল্লির দিকে। এমতাবস্থায়, নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভা এমন একটি আইন সংশোধনে অনুমোদন দিল, যা কার্যকরী হলে প্রশ্ন-ফাঁসের দুষ্টচক্রের বিনাশ অবশ্যম্ভাবী।
এদিন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজেজু জানান, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর এবার সংসদে এই বিল পেশ হবে। এই বিল আইনে পরিণত হলে, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় কেউ দোষী সাব্যস্ত হলে তার ১০ বছর পর্যন্ত জেল ও ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা হবে।