চৌরঙ্গী রোডের দিক থেকে টিনের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছিল পার্ক। তৃণমূল জমানায় সাধারণ মানুষ বাইরে থেকে পার্কের ভিতরের সৌন্দর্য দেখতে পেতেন না। রাজ্য পালাবদলের পরই সেই সেই সমস্ত টিনের বেড়া থেকে পার্ক উ...
চৌরঙ্গী রোডের দিক থেকে টিনের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছিল পার্ক। তৃণমূল জমানায় সাধারণ মানুষ বাইরে থেকে পার্কের ভিতরের সৌন্দর্য দেখতে পেতেন না। রাজ্য পালাবদলের পরই সেই সেই সমস্ত টিনের বেড়া থেকে পার্ক উন্মুক্ত করে আম জনতার জন্য জন্য খুলে দিল কলকাতা পুরসভা। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে এডিয়ট পার্কের আগের এবং বর্তমান ছবি পোস্ট করে KMC-কে ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
এবিষয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে খোঁচা বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, ময়দানের এলিয়ট পার্কের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সবুজ ও মনোরম দৃশ্য এতদিন চৌরঙ্গী রোডের দিক থেকে উঁচু টিনের বেড়া দিয়ে ঘিরে দিয়ে সম্পূর্ণভাবে সাধারণ মানুষের থেকে আড়াল করে রাখা হয়েছিল, কারণ সেখানে প্রাক্তন সরকারের মাননীয়া হাঁটার সময় যাতে সাধারণ মানুষের দৃষ্টি না পড়ে। এলিয়ট পার্কের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সবুজের মনোরম দৃশ্য আজ আবার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত। টিনের সেই বেড়া সরিয়ে এলিয়ট পার্কের সৌন্দর্যের মনোরম দৃশ্য আবার জনসাধারণের উপভোগের জন্য ফিরিয়ে দেওয়ায় কলকাতা পুরসভাকে আন্তরিক ধন্যবাদ। জনগণের সম্পদ, জনগণের জন্যই উন্মুক্ত থাকুক।
চারিদিকে সুবজে মোড়া। মাঠে নরম ঘাস। কিছুটা সময় কাটাতে হাতের কাছে পার্ক থাকলেও তা থেকে বঞ্চিত ছিল সাধারণ মানুষ। কারণ পার্কেও মধ্যে 'ভিআইপি' তত্ত্ব নিয়ে এসেছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।উঁচু টিনের বেড়া দিয়ে সম্পূর্ণভাবে সাধারণ মানুষের থেকে আড়াল করে রাখা হয়েছিল এলিয়ট পার্ককে। যাতে প্রাক্তন সরকারি কর্মকর্তারা সেখানে তাদের পদচারণা করার সময় সাধারণ মানুষের দৃষ্টি তার দিকে না পড়ে। ফলে ইচ্ছা থাকলেও পার্ক চত্বরে প্রবেশের অনুমতি ছিল না আম জনতার। নিজের ক্ষমতাবলে ধরাকে সরা জ্ঞান করেছিল তৃণমূল। মুখে সাধারণ মানুষের কথা বললেও আদতে সাধরাণ মানুষই সামান্য পার্ক থেকেও বঞ্চিত ছিল। তবে সেই সব এখন অতীত। পালাবদলের পরই মানুষের জন্য পার্ক উন্মুক্ত করে দিল শুভেন্দু সরকার। নতুন সরকারের উদ্যোগকে সাধুবাদ সকলের।