শাসক দলের বার বার অভিযোগ ছিল এসআইআর নিয়ে হঠকারিতায় হচ্ছে। তাড়াহুড়ো করা হচ্ছে এসআইআর নিয়ে। এদিকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার স্পষ্ট জানিয়েছিলেন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শেষ করতে হব এসআইআর -এর ...
শাসক দলের বার বার অভিযোগ ছিল এসআইআর নিয়ে হঠকারিতায় হচ্ছে। তাড়াহুড়ো করা হচ্ছে এসআইআর নিয়ে। এদিকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার স্পষ্ট জানিয়েছিলেন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শেষ করতে হব এসআইআর -এর কাজ। এদিকে রাজ্য নির্বাচন আধিকারিক জানিয়েছেন বাকি রয়েছে বেশ কিছু কাজ। ৭ দিন অতিরিক্ত সময় চেয়ে এবার চিঠি দিল রাজ্য নির্বাচন আধিকারিক।
পিছল চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের দিনক্ষণও। ফলে এখন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে তালিকা প্রকাশ পিছোন কি শাসকের অভিযোগকেই মান্যতা? এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। তিনি অভিযোগ করেন 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইচ্ছা করে এসআইআর প্রক্রিয়াকে জটিল করে দিচ্ছেন, আসলে তিনি চান না রাজ্যে এসআইআর হোক।' সরকারি কর্মচারীরা এই রাজ্যে এসআইআর -এর কাজ করছে। তারাই এই প্রক্রিয়াকে জটিল করে দিচ্ছে।
বিজেপির অভিযোগ ছিল সরকারি কর্মচারীদের চক্রান্ত ও তাঁবেদারির জন্য SIR তালিকায় ঢুকছে বেনোজল। সেই আশংকা থেকে সতর্ক হয়েই কি অতিরিক্ত সময় চাইছে কমিশন? এই প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ জানান , যাতে ভুয়ো ভোটার থেকে যায় সেই কারণেই এত লোককে নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং এত নাম ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে।
চলতি সপ্তাহে শুভেন্দুকে বলতে শোনা গিয়েছিলো ৭ দিন অতিরিক্ত সময় দেওয়াই যেতে পারে। সেই ৭ দিনই কমিশনের থেকে চাইলো রাজ্য নির্বাচন আধিকারিক। বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে তথ্যেই বারবার সিলমোহর দিচ্ছে কমিশন? কিন্তু দিলীপের দাবি 'তৃণমূলের নেতা সময় বাড়ানোর কথা বললে দোষ নেই, আর বিজেপির নেতা বললেই দোষ। সকলেই বুঝতে পারছে এখনও অনেক কাজ বাকি, সেগুলো ঠিক করে না হলে এসআইআর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে না। '
এসআইআর আবহে দেড় মাসে ১৪ হাজার ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের আবেদন কলকাতা পুরসভায়। এই সম্পর্কে বিস্ফোরক দিলীপ। তিনি বলেন এই সমস্ত সার্টিফিকেট জাল, এগুলোর ভেরিফিকেশন হওয়া উচিৎ।
সুপ্রিম কোর্ট ২৫ শতাংশ ডিএ দিয়ে দেওয়ার কথা জানালেও তা মানবেন না মমতা, কারণ এত টাকা তিনি কোথা থেকে আনবেন? প্রশ্ন তোলেন দিলীপ। তাঁর দাবি এই টাকা দিয়ে লক্ষীর ভাণ্ডার দিয়ে ভোট কিনবেন মমতা। ১৮২ আসনে প্রার্থী দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন হুমায়ূন সেই প্রসঙ্গে দিলীপের দাবি 'ভোটের আগে এরকম ফাঁকা আওয়াজ অনেকেই দেয়। '