মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত সফর করছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার সকালে আদ্যাপীঠ মন্দিরে এলেন মুখ্যমন্ত্রী। মন্দিরে আরতি করেন ও পুজো দেন, গোসেবাও করেন শুভেন...
মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত সফর করছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার সকালে আদ্যাপীঠ মন্দিরে এলেন মুখ্যমন্ত্রী। মন্দিরে আরতি করেন ও পুজো দেন, গোসেবাও করেন শুভেন্দু অধিকারী। আদ্যাপীঠের মূল ফটকেরও উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী।
মন্দিরে পুজো দেওয়ার পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে, কলকাতা কেবল সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নয়, এটি একটি বড় আধ্যাত্মিক রাজধানীও বটে। তাঁর সরকার রাজ্যে আধ্যাত্মিক জাগরণ সুনিশ্চিত করতে সনাতন প্রতিষ্ঠানগুলির পাশে থাকবে। আরজি করের মতো মর্মান্তিক ও নিন্দনীয় ঘটনা প্রতিরোধে সমাজের নৈতিক ও আধ্যাত্মিক জাগরণ অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, প্রতিটি সনাতন প্রতিষ্ঠানের মূলেই রয়েছে নিঃস্বার্থ সেবার মানসিকতা। সাধারণ মানুষের কাছে গেরুয়া রঙের প্রকৃত গুরুত্ব, ত্যাগের মাহাত্ম্য এবং আধ্যাত্মিক মূল্যবোধ সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন।
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এই ধরণের সনাতনী প্রতিষ্ঠানগুলি মূলত ৪টি কাজ করে থাকে। এই ধরণের প্রতিষ্ঠান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালায়, দুঃস্থ ঘরের ছেলেমেয়েদের শিক্ষা দেয়। স্বাস্থ্য ক্ষেত্রেও অগ্রণী ভূমিকা নেয়। পাশাপাশি সেবা ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। যেকোনও জায়গায় বন্যা ও প্রাকৃতীক বিপর্যয় হলে সরকারের আগে পৌঁছে যায় এই সনাতনী প্রতিষ্ঠানগুলি। এরপরেই এই প্রতিষ্ঠানগুলির চতুর্থ কর্মকাণ্ডের কথা বলেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষ তাঁর নিজের মধ্যে যদি হুঁশ যুক্ত হয় তবে মানুষ হবে , তাঁর ধর্মীয় জাগরণ ও আধ্যাত্মিক জাগরণ থাকবে। পাপ বোধ থাকেব। খারাপ কাজ থেকে বিরত হবে। শিশুকন্যাদের থেকে আরজিকর, পাপ কাজ থেকে বিরত রাখতে গীতা পড়াতে হবে। আধ্যাত্মিক জাগরণ সেই জায়গায় ঘটাতে হবে।’