'বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে'। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনার দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি। রবিবার রাজ্যের সমস্ত সরকারি হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসা প্রতিষ্ঠা...
'বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে'। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনার দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি। রবিবার রাজ্যের সমস্ত সরকারি হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান বেলা ১১টায় প্রদীপ জ্বালিয়ে দু’মিনিটের নীরবতা পালন করে। আরজি কর-কাণ্ডের পৃথক তদন্ত করছে স্বাস্থ্য দফতর। নতুন করে আরজি কর কাণ্ডের ফাইল খোলা হবে। তদন্তের প্রয়োজনে পূর্বতন সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডাকা হতে পারে, কাদম্বিনীর মৃত্যু বার্ষিকীতে এমনটাই ইঙ্গিত দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।
এদিন স্বাস্থ্য দফতরে কাদম্বিনীকে শ্রদ্ধা জানাতে নিরবতা পালন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের। উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসচিব, স্বাস্থ্য আধিকারিকেরা। আসল সত্যি উন্মোচন হবে, জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সেই দিন সেই রাতে যারা যারা তার সঙ্গে ছিলেন, তাদের সঙ্গে কথাবার্তা হবে, তাঁদেরকে তদন্ত-তলব করা হবে, বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
সালটা ছিল ২০২৪, ৯ অগাস্ট। আরজি করে হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিল্ডিংয়ে চেস্ট মেডিসিন বিভাগের তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়। ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ তোলপাড় হয়েছিল গোটা দেশ। ঘটনার পর কেটে গিয়েছে ২ বছর। রবিবার আরও একটা ৯ অগাস্ট। বিচারের আশায় কাঁদছে কাদম্বিনী। তবে রাজ্য পালাবদলের পর করে খুলছে আরজি কর-কাণ্ডের ফাইল। নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে CBI। পাশাপাশি, তদন্ত করছে স্বাস্থ্য দফতরও। এইভাবে যাতে কোনও মায়ের কোল কালি না হয় তা সুনিশ্চিত করতে সবরকম তৎপর রাজ্য সরকার। কে বা কারা জড়িত ছিল সেদিনের ঘটনায়? কেন তাড়াতাড়ি দাহ করা হল দেহ? কোন সত্যি লুকাতে কাদম্বিনীকে সরিয়ে দেওয়া হল? উত্তর খুঁজতে তৎপর নতুন সরকার।