১০ দফা দাবি নিয়ে সল্টলেকে শৈশালী ভবনের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের। বেতনবৃদ্ধি, পেনশনসহ একাধিক দাবিতে ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত, ৩ দিন ধরে চলবে অবস্থান বিক্ষোভ।মূলত কোন...
১০ দফা দাবি নিয়ে সল্টলেকে শৈশালী ভবনের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের। বেতনবৃদ্ধি, পেনশনসহ একাধিক দাবিতে ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত, ৩ দিন ধরে চলবে অবস্থান বিক্ষোভ।
মূলত কোন কোন দাবি নিয়ে বিক্ষোভ অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের?
১) গুজরাট হাই কোর্টের রায় অনুযায়ী সরকারি স্বীকৃতি সহ বেতন কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত করতে হবে
২) বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত অঙ্গনওয়াড়িকর্মী ও সহায়িকাদের সুপ্রীম কোর্টের রায় অনুযায়ী গ্র্যাচুয়িটি দিতে হবে।
৩) ২০১৯ সালের কেন্দ্রীয় সরকারের আদেশনামা অনুযায়ী পেনশন যোজনা চালু করতে হবে।
৪) অন্যান্য রাজ্যের ন্যায় ডিম, সবজি, জ্বালানীর অর্থ অগ্রিম প্রদান করতে হবে।
৫) পি.এম.জে.জে.বি.ওয়াই এবং এ কে জেবি ওয়াই বীমার সমস্ত অধিকার দিতে হবে।
৬) সমস্ত এন,জি,ও প্রকল্প গুলিকে সরাসরি সরকারি অধিনে নিতে হবে।
৭) অসম্মানজনক মোবাইল শর্ত প্রত্যাহার করে বাস্তব সম্মত রিচার্জ খরচ দিতে হবে।
৮ ) ভয়, হুমকি, অসম্মান, অপমান করে আদেশনামা ব্যাতিত কাজ চাপিয়ে দেওয়া যাবে না। অতিরক্ত কাজে
অতিরিক্ত মজুরি দিতে হবে।
৯) অবিলম্বে অঙ্গনওয়াড়িকর্মী ও সহায়িকাদের প্রোমোশন সহ সমস্ত শূন্যপদ পূরন করতে হবে।
১০) চল্লিশোর্ধ সমস্ত অঙ্গনওয়াড়িকর্মী ও সহায়িকাদের প্রতি বছর স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে।
মূলত এই দাবিগুলি নিয়ে সল্টলেকের শৈশালী ভবনের সামনে সোমবার অবস্থান-বিক্ষোভে বসে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা
এদিকে ভোটমুখী বাংলায় বিক্ষোভ মিছল সামাল দিতে রাজ্য বাজেটে কল্পতরু হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস থেকে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী এবং অঙ্গনওয়াড়ি সহায়িকাদের মাসিক সাম্মানিক আরও ১ হাজার টাকা করে বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। কিন্তু
মাতৃত্বকালীন ছুটি ও এককালীন ক্ষতিপূরণ মিললেও, সাম্মানিকের দাবি থেকে তাদের একাধিক দাবি এখনও অধরা। ফলে আবারও পথে নেমে নিজেদের হকের দাবি আদায় করার দিকেই হাঁটলেন অঙ্গনওয়াড়িকর্মীরা।