গত ১৫ বছরে কোথায় কত টাকা আর্থিক লেনদেন করেছে তৃণমূল? বিপুল টাকার উৎস কী ছিল? পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চাটার্ড বিমানের ভাড়া আসতো কোথা থেকে? এই সব প্রশ্নের উত্তর জানতে কলকাতার পাঁচ জায়গায় হানা ...
গত ১৫ বছরে কোথায় কত টাকা আর্থিক লেনদেন করেছে তৃণমূল? বিপুল টাকার উৎস কী ছিল? পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চাটার্ড বিমানের ভাড়া আসতো কোথা থেকে? এই সব প্রশ্নের উত্তর জানতে কলকাতার পাঁচ জায়গায় হানা দিল ইডি। মঙ্গলবার শহরের একাধিক জায়গায় বিভিন্ন বাড়ি ও অফিসে গিয়ে তল্লাশি চালান কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। তালিকায় অভিষেক 'ঘনিষ্ঠ' এক ব্যবসায়ীর অফিস ও বাড়ি আছে বলেও জানা গিয়েছে সূত্র মারফত। এমনকি এই ব্যবসায়ীর সংস্থা থেকেই অভিষেকের বিমান ভাড়া আসত বলে দাবি সূত্রের।
তৃণমূল দু-ভাগে বিভক্ত হওয়ার পর থেকেই দলের তহবিল কাদের দখলে থাকবে তা নিয়ে জোর টানাটানি শুরু হয়েছে। দলের প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাস ব্যাঙ্কে চিঠি লিখে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার আবেদন জানান। যা নিয়ে মামলাও হয় কলকাতা হাইকোর্টে। এমতাবস্থায় কালীঘাট তৃণমূলের তরফে মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হলে তা খারিজ করে দেওয়া আদালতের তরফে। এই পরিস্থিতি তৃণমূলের তহবিলের উৎস খুঁজতে তদন্ত শুরু করল ইডি।
সূত্রের খবর, এদিন গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিষেক ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর অফিস ও বাড়িতে হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। সূত্রের দাবি, তাঁর সংস্থা থেকেই অভিষেকের বিমান ভাড়া আসত। অন্যদিকে ওই বিমান ভাড়া আসলে কাটমানি ও তোলাবাজির টাকা থেকে উঠত বলে দাবি করেছেন আসল 'তৃণমূলের' ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এমতাবস্থায় ওই অভিযোগ কতদূর সত্য তা খতিয়ে দেখতেই তদন্ত শুরু করেছে ইডি।