আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ৪৩টি আসনে লড়তে চায় আইএসএফ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আবারও আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে সিপিএমের রাজ্য দফতরে আসন সমঝোতা নিয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয় দুই দলের নেতাদের।। জানা গেছে প্রায় ৩ ঘন্...
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ৪৩টি আসনে লড়তে চায় আইএসএফ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আবারও আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে সিপিএমের রাজ্য দফতরে আসন সমঝোতা নিয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয় দুই দলের নেতাদের।। জানা গেছে প্রায় ৩ ঘন্টা বৈঠক হয় এই দুই দলের। বামেদের তরফে উপস্থিত ছিলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু এবং সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। অন্যদিকে আইএসএফের তরফে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নওশাদ সিদ্দিকী, শামসুর আলী মল্লিক, বিশ্বজিৎ মাইতিরা। সূত্রের খবর, একাধিক বিধানসভা ধরে ধরে আলোচনা হয়েছে বৈঠকে।
সূত্রের দাবি,"আইএসএফ এর তরফে ৪৩ টি আসন দাবি করা হয়। কিন্তু, বাম নেতৃত্ব ৩০ টির বেশি আসন আইএসএফকে দিতে নারাজ। ফলে এখনও ১৩ টি বিধানসভা আসন নিয়ে টানাপোড়েন অব্যহত। এখনও ১৩ টি আসনে কোনও সমঝোতা সৃত্র বেরিয়ে আসেনি এই বৈঠকে। এই ১৩ টি আসনের মধ্যে দুই ২৪ পরগনার একাধিক আসন রয়েছে। আইএসএফ দাবি করেছে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় বর্তমানে বামফ্রন্টের বা সিপিএমের তুলনায় আইএসএফের প্রভাব অনেকাংশেই বেশি। ফলে এই আসনগুলিতে কেন আইএসএফ লড়তে চায় তার যুক্তিগুলি বিমান বসু এবং মহম্মদ সেলিমের কাছে এদিনের বৈঠকে তুলে ধরেন নওশাদ সিদ্দিকী-রা। যদিও সূত্রের খবর এখনও ৩০টির বেশি আসন দিতে নারাজ বিমান, সেলিমরা। তবে ফের আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বামেদের তরফে।। দ্রুত সব মিটিয়ে ফেলা হবে একথাও জানানো হয়েছে নওশাদদের।
দীর্ঘ বৈঠকের শেষে দুই পক্ষ আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু না বললেও সূত্রের খবর আসন সমঝোতার জট অনেকটাই কেটে গেলেও সংখ্যা এবং নির্দিষ্ট কয়েকটি আসন নিয়ে এখনও জটিলতা রয়েই গেছে। আইএসএফ-এর চাওয়া এই আসনগুলিতে, বহু ক্ষেত্রেই দীর্ঘদিন ধরে সিপিএম লড়ে আসছে। ফলে সব আসন ছেড়ে দিলে এলাকায় ক্রমশ অস্তিত্বহীন হয়ে পড়বে সিপিএম। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন এলাকার কর্মীরা সেই কথা নেতৃত্বকে বলেছেন। ফলে কর্মীদের কথা মাথায় রেখে এখনও নওশদকে কোনও পাকা কথা দিতে পারছেন না বাম নেতৃত্ব। বাম-আইএসএফ জোট যে হচ্ছে, তা একপ্রকার নিশ্চিত। তবে এবার জটিলতা রয়ে যাচ্ছে আসন ভাগাভাগি নিয়ে। আইএসএফ আগের তুলনায় বেশি আসন চাওয়ায় এখনও দ্বন্ধে বাম নেতৃত্ব। ২৬ এর নির্বাচনে বাম আইএসএফ জোট কোন দিকে মোড় নেয় তার উত্তর দেবে সময়।