উৎসস্থল চিন হলেও করোনার সামনে ধোপে টিকছে না হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস বা HMPV। চিনের হাসপাতালে উপচে পড়া ভিড়ে যে সিঁদুরে মেঘ দেখেছে ভারত তা বলাই বাহুল্য। কিন্তু, করোনার মত শতাব্দীর সেরা ভাইরাস হিসেবে ...
উৎসস্থল চিন হলেও করোনার সামনে ধোপে টিকছে না হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস বা HMPV। চিনের হাসপাতালে উপচে পড়া ভিড়ে যে সিঁদুরে মেঘ দেখেছে ভারত তা বলাই বাহুল্য। কিন্তু, করোনার মত শতাব্দীর সেরা ভাইরাস হিসেবে ধরাই যাচ্ছে না এই HMPVকে। শোনা যাচ্ছে ইতিমধ্যেই, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, এনসিডিসি ও আইসিএমআর এর মতো সংস্থাকে সঙ্গে করে বৈঠকে বসেছে ভারত। সেখানেই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের সাফ দাবি, HMPV-র সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে পুরোপুরি তৈরি দেশ। HMPV নিয়ে এমন মতামত বাংলার চিকিৎসক মহলেও।
কোভিড-১৯-র মতই উপসর্গ এই ভাইরাসের। দুই ভাইরাস সংক্রমণেই মূল সমস্যা শ্বাসযন্ত্রেই। জ্বর, সর্দি, কাশি শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ থাকা এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয় মূলত শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরা। এর পাশাপাশি চিন্তায় থাকবেন কম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তিরা।
তবে কথায় আছে সাবধানের মার নেই। আর এক্ষেত্রেও তাই সামান্য কিছু পদক্ষেপেই মিলতে পারে রোগ থেকে নিস্তার। নিয়মিত হাত ধোয়া, চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ করা এড়িয়ে চলা, রোগীর সংস্পর্শ এড়িয়ে চললেই এড়ানো যাবে সংক্রমণ। করোনার মত বীভৎসতা না থাকায় নেই কোনও টিকাও। সেক্ষেত্রে, হাসপাতালে ভর্তি করার মতো প্রয়োজনও নেই এই সংক্রমণে।
করোনার সময়ে এই চিন থেকেই ছড়িয়েছিল ভাইরাস। তাই এবার HMPV -র ক্ষেত্রেও আশঙ্কা এড়ানো যাচ্ছে না মোটেই। সামনেই চিনের লুনার নিউ ইয়ার। সেই থেকেই আবার ছড়াবে না তো নতুন রোগ? সেই প্রশ্নও থেকে যাচ্ছে।